


চিত্রকূট: টার্গেট ৫-১৬ বছরের ছেলে-মেয়ে। কখনো চকোলেট, কখনো মোবাইল, হাতঘড়ি সহ নানা সামগ্রীর লোভ দেখিয়ে শিশুদের কাছে ডাকত দম্পতি। তারপর বন্ধ ঘরে তাদের উপর চলত যৌন নির্যাতন। এখানেই শেষ নয়। ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে বিশ্বের নানা প্রান্তের পেডোফিল নেটওয়ার্কের কাছে বিক্রি করা হত সেই সব ভিডিয়ো, ছবি। চীন, আমেরিকা, ব্রাজিল, আফগানিস্তান সহ ৪৭ দেশে বিক্রি করা হয়েছিল ভিডিয়োগুলি। ২০২০ সালে সামনে আসে উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটের এই ঘটনা। তদন্তে নেমে সে বছরের নভেম্বরে মাসে অভিযুক্ত রাম ভবনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। পরে হেপাজতে নেওয়া হয় তার স্ত্রী দুর্গাবতীকে। বছর পাঁচেক পেরিয়ে শেষমেশ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চিত্রকূটের ওই দম্পতিকে দোষী সাব্যস্ত করে বান্দার পকসো আদালত। শুক্রবার তাদের ফাঁসির সাজা দিল আদালত।
জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সেচদপ্তরে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করত অপরাধী রাম ভবন। তার পোস্টিং ছিল চিত্রকূটে। যোগীরাজ্যের এক সরকারি আধিকারিকের এমন কাণ্ডে চারদিকে নিন্দার ঝড়।
২০২০ সালের শেষের দিকে ঘটনাটি সামনে আসে। তড়িঘড়ি তদন্তে নামে সিবিআই। ৩১ অক্টোবর রাম ভবনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। সেইমতো ১৮ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। এরপর ২৬ নভেম্বর অপরাধীকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ‘মোডাস অপারেন্ডি’ খতিয়ে দেখে তদন্তকারী সংস্থা। সাক্ষীদের প্রভাবিত করা ও এই কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে রামের স্ত্রী দুর্গাবতীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।