Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীমান্তে সেনা বহর কমিয়েছে চীন, জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক

উত্তর সীমান্তে সেনার সংখ্যা কমিয়েছে চীন। সম্প্রতি ২০২৫ -২৬ অর্থবর্ষের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে এমনই তথ্য দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

সীমান্তে সেনা বহর কমিয়েছে  চীন, জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: উত্তর সীমান্তে সেনার সংখ্যা কমিয়েছে চীন। সম্প্রতি ২০২৫ -২৬ অর্থবর্ষের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে এমনই তথ্য দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে, উত্তর সীমান্তে চীন ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণে’ সেনা কমিয়েছে। তবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এবং প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত এলাকায় ১০ ব্রিগেড লাল ফৌজ মোতায়েন রয়েছে। দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের মাঝে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। গলওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম ভারতে এসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং। ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষ্যেই সেই সফর চলাকালীনই সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চীনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার কথা প্রকাশ্যে আনা হল। 

Advertisement

২০২০ সালের ১৫ জুন লাদাখের গলওয়ানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত ও চীন। ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। চীন চারজনের মৃত্যুর খবর স্বীকার করে। ঘটনার পর ভারত ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে এসে পৌঁছায়। এরপর দুই দেশই সীমান্তে বিপুল সেনা সমাবেশ ঘটায়। সমস্যা মেটাতে বেশ কয়েক দফায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রতিবেশী দুই দেশই ধাপে ধাপে সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার করার কথা জানিয়ে দেয়। বার্ষিক রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, চীন সেই প্রতিশ্রুতি রেখেছে। বার্ষিক রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সব সেক্টরে ভারতের সেনা মোতায়েন সন্তোষজনক। যে কোনো পরিস্থিতি মোকবিলার কথা মাথায় রাখা হয়েছে।’ 
রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি এখন শান্ত। হিংসা কমেছে, প্রতিবাদও আর আগের মতো নেই। সবচেয়ে বড়ো কথা, ২০২৫-২৬ সালে পাথর ছোড়ার মতো কোনো ঘটনা সামনে আসেনি। মণিপুরের পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে বলে দাবি ওই রিপোর্টে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ