Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / এই মুহূর্তে

কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেনুতে চিকেন, মটন জ্বালানী সংকট এড়াতে রাখা হচ্ছে ইনডাকশনও

নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরপরই দার্জিলিং জেলায় এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকায় এলাকায় টহল দেওয়া থেকে ভোটারদের ‘হিম্মত’ দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে জোরকদমে।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেনুতে চিকেন, মটন জ্বালানী সংকট এড়াতে রাখা হচ্ছে ইনডাকশনও
  • ১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরপরই দার্জিলিং জেলায় এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকায় এলাকায় টহল দেওয়া থেকে ভোটারদের ‘হিম্মত’ দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে জোরকদমে। তবে জ্বালানি সংকটের সময়ে বাহিনীর খাওয়া-দাওয়া নিয়ে যাতে কোনো সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করতে সতর্ক জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। কোনোভাবেই যাতে খাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য বদ্ধপরিকর তাঁরা। যদিও পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় একমাস আগে পৌঁছে যাওয়া বাহিনীর তরফে এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ খাওয়ার বিষয়ে আসেনি। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাহিনীর প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সহজলভ্য করা হচ্ছে। মেনুতে ভাত, ডাল, তরকারি, চিকেন, মটন, ডিম থেকে শুরু করে পনির সবকিছুই থাকছে। কোথাও এখনও কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। 

Advertisement

এই প্রসঙ্গে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক হরিশংকর পানিক্কর বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে মূলত পুলিশ সমস্ত ব্যবস্থা সঠিকভাবে করে চলেছে। কোনো সমস্যার অভিযোগ আসেনি। 
যদিও রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার সংকটের এই সময়ে রান্নাঘরে জ্বালানি সমস্যা মেটানো হচ্ছে কীভাবে? সেই প্রশ্নের উত্তরে দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখেড়িয়া বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট যে একেবারেই নেই তেমনটা নয়। তবে যেখানে যেখানে এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে সেখানে আমরা ইনডাকশন থেকে শুরু করে অন্যান্য ব্যবস্থা করছি। মূলত কোম্পানির জওয়ানরা তাঁদের সঙ্গে রাঁধুনি নিয়ে আসেন। তাঁদের আমরা কোন জায়গা থেকে খাদ্যসামগ্রী বা কাঁচামাল কেনা হবে তা দেখিয়ে দিচ্ছি। আপাতত কোনো সমস্যা নেই। 
পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, দার্জিলিং পুলিশ জেলাতে এখনও পর্যন্ত ১৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই তাঁদের যাতে কোনো অসুবিধে না হয় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। 
অন্যাদিকে, শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানা এলাকায় এখনও পর্যন্ত পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। তাদের শহরের বিভিন্ন স্কুল ও পলিটেকনিক, আইটিআইতে রাখা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত বাহিনীর প্রত্যেকের জন্য সকালে জলখাবার থেকে রাতের খাবার সমস্ত পরিষেবা সময়মতো বরাদ্দ করা হচ্ছে। গ্যাস সিলেন্ডার শেষ হয়ে গেলেও কোনোভাবে তা জোগাড় করে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের একাংশের দাবি, ওঁরা তো অতিথি তাঁদের সেবা আগে করতেই হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ