সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বংশীহারি আইটিআইয়ে ছাত্রীদের অশ্লীল মেসেজ, কুপ্রস্তাব দিয়ে গ্রেপ্তার শিক্ষক। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকের নাম জালালুদ্দিন শেখ। তাঁর বাড়ি মালদহে। ছাত্রীদের অভিযোগ, ফিটার ট্রেডের ওই প্রাকটিক্যাল শিক্ষক একাধিক ছাত্রীদের অশ্লীল ছবি, ভিডিও মোবাইলে পাঠিয়ে উত্যক্ত করতেন। প্রাক্টিক্যালে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার নামে কুপ্রস্তাব দিতেন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের। বিষয়টি দিনের পর দিন বাড়তে থাকলে প্রিন্সিপাল সোমনাথ পাত্রকে লিখিত অভিযোগ জানান ছাত্রীরা। তবে, কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে রবিবার ছাত্রীরা বংশীহারি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্তে নেমে পুলিস অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। প্রিন্সিপালকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করা হলে তিনি উত্তর দেননি। অভিযুক্ত শিক্ষককে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তুললে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার অভিযোগকারী মালদহের গাজোলের ছাত্রীরা গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে এসে বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন।
Advertisement
গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা বলেন, বংশীহারি আইটিআইয়ের বিষয়টি ভীষণ উদ্বেগের। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মহকুমা প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে। প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলব।
বংশীহারি থানার আইসি অসীম গোপ বলেন, আমাদের কাছে বংশীহারি আইটিআইয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে দেখার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। বুনিয়াদপুরের শিক্ষারত্ন অখিল বর্মন বলেন, পড়ুয়াদের ক্লাসে না পড়িয়ে শিক্ষক রাতে মেসেজ করবেন, এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রিন্সিপালের কাছে অভিযোগ করার পরেও ব্যবস্থা নেননি তিনি। অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল সমান দোষী।
বংশীহারি থানার আইসি অসীম গোপ বলেন, আমাদের কাছে বংশীহারি আইটিআইয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে দেখার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। বুনিয়াদপুরের শিক্ষারত্ন অখিল বর্মন বলেন, পড়ুয়াদের ক্লাসে না পড়িয়ে শিক্ষক রাতে মেসেজ করবেন, এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রিন্সিপালের কাছে অভিযোগ করার পরেও ব্যবস্থা নেননি তিনি। অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল সমান দোষী।



