নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ছেলেধরা সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার সকালে গোবরডাঙা থানার গণদ্বীপায়ন এলাকায়। এদিকে, পুলিসের দাবি, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, গোবরডাঙার গণদ্বীপায়নের দিঘিরপাড় এলাকায় বাড়ি সরকার পরিবারের। সেখানে তিন বছরের এক শিশু ঘরের সামনে খেলছিল। সকাল সাড়ে দশটার সময় এক ব্যক্তি তাদের বাড়ির সামনের জবা গাছ থেকে ফুল তোলেন। তারপর ফুল দেখিয়ে শিশুটিকে কাছে ডাকেন। আর সে কাছে আসতেই তিনি শিশুটির হাত ও মুখ চেপে ধরেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি বাসিন্দাদের নজরে এলে শোরগোল পড়ে। তখন অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে। কিন্তু বাসিন্দারা তাঁকে ধরে ছেলেধরা সন্দেহে মারধর শুরু করেন। পরে গোবরডাঙা থানার পুলিস তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা তিথি চক্রবর্তী বলেন, ওই ব্যক্তি শিশুটির হাত-মুখ চেপে ধরেছিলেন। আমি তা দেখে চিৎকার করি। তখন এলাকার মানুষ এসে তাঁকে পুলিসের হাতে তুলে দেয়। আমাদের অনুমান মানসিক ভারসাম্যহীনতার বেশে ওই ব্যক্তি আসলে ছেলেধরা। এদিকে গোবরডাঙা থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আসলে মানসিক ভারসাম্যহীন। ওঁকে কোথায় রাখা যায়, তা দেখা হচ্ছে। স্রেফ সন্দেহের বশে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তিথি চক্রবর্তী বলেন, ওই ব্যক্তি শিশুটির হাত-মুখ চেপে ধরেছিলেন। আমি তা দেখে চিৎকার করি। তখন এলাকার মানুষ এসে তাঁকে পুলিসের হাতে তুলে দেয়। আমাদের অনুমান মানসিক ভারসাম্যহীনতার বেশে ওই ব্যক্তি আসলে ছেলেধরা। এদিকে গোবরডাঙা থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আসলে মানসিক ভারসাম্যহীন। ওঁকে কোথায় রাখা যায়, তা দেখা হচ্ছে। স্রেফ সন্দেহের বশে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।



