পকেটে ছিল ১৭৩ টাকা। তা দিয়েই কিনেছিলেন সাদা-কালো একটি পুরনো ছবি। সেই ছবিই পাঁচ বছর পর বিক্রি হয়েছিল ৪৩ কোটি টাকায়। রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছিলেন মার্কিন এক যুবক। ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা আমেরিকায়।
Advertisement
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই যুবকের নাম র্যান্ডি গুইজারো। বরাবরই পুরনো জিনিসপত্র সংগ্রহ করার বাতিক ছিল তাঁর। এই সখের জন্যই র্যান্ডি সংগ্রহে ছিল অনেক পুরনো-দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী। ২০১০ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেন্সোতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক পুরনো জিনিসপত্রের দোকানে ঢুঁ মেরেছিলেন র্যান্ডি। সেখানে তাঁর চোখে পড়ে যায় দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখা একটি সাদা-কালো ছবির উপর। সঙ্গে সঙ্গে সেটি কিনেও নেন। তাও আবার ২ ডলারেরও কম দামে। ভারতীয় মুদ্রায় মাত্র ১৭৩ টাকা খরচ হয়েছিল তাঁর। তবে সেই ছবিতে যিনি ছিলেন, তাঁর সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না ওই যুবকের।
পাঁচ বছর পর র্যান্ডি জানতে পারেন ছবিটিতে থাকা ব্যক্তির আসল পরিচয়। জানা যায়, সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী। একজন সিরিয়াল কিলার। মার্কিন ইতিহাসে তার ঠাঁই হয়েছে ‘বিলি দ্য কিড’ নামে। আসল নাম হেনরি ম্যাককার্টি ওরফে উইলিয়াম এইচ বনি। ২১ জনকে খুনের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত ১৮৮১ সালে পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয় বিলির। সেই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। র্যান্ডির কাছে ছিল বিলি দ্য কিডের দ্বিতীয় ছবি। সেটি তোলা হয়েছিল ১৮৭৮ সালে। জীবদ্দশায় আর কোনও ছবি ছিল না ওই কুখ্যাত অপরাধীর। সিরিয়াল কিলার হলেও, বিলির ভক্তদের সংখ্যা নেহাত কম ছিল না। ২০১৫ সালে সেই ছবিটিই নিলামে বিক্রি করেন র্যান্ডি। দাম ওঠে আকাশছোঁয়া, ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ৪৩ কোটি টাকা। ছবিটি বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় র্যান্ডি গুইজারো।
পাঁচ বছর পর র্যান্ডি জানতে পারেন ছবিটিতে থাকা ব্যক্তির আসল পরিচয়। জানা যায়, সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী। একজন সিরিয়াল কিলার। মার্কিন ইতিহাসে তার ঠাঁই হয়েছে ‘বিলি দ্য কিড’ নামে। আসল নাম হেনরি ম্যাককার্টি ওরফে উইলিয়াম এইচ বনি। ২১ জনকে খুনের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত ১৮৮১ সালে পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয় বিলির। সেই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। র্যান্ডির কাছে ছিল বিলি দ্য কিডের দ্বিতীয় ছবি। সেটি তোলা হয়েছিল ১৮৭৮ সালে। জীবদ্দশায় আর কোনও ছবি ছিল না ওই কুখ্যাত অপরাধীর। সিরিয়াল কিলার হলেও, বিলির ভক্তদের সংখ্যা নেহাত কম ছিল না। ২০১৫ সালে সেই ছবিটিই নিলামে বিক্রি করেন র্যান্ডি। দাম ওঠে আকাশছোঁয়া, ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ৪৩ কোটি টাকা। ছবিটি বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় র্যান্ডি গুইজারো।



