নয়াদিল্লি: ১৯৩০ সালে শুরু হয়েছিল কমনওয়েলথ গেমস। তার একশো বছর পূর্ণ হচ্ছে ২০৩০ সালে। আর সেই আসর আয়োজনের দায়িত্বে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা বাড়ছে। রবিবার রাতে সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে অ্যাথলিট নীরজ চোপড়া, ভারতীয় ওলিম্পিকস সংস্থার প্রধান পিটি ঊষা ও গুজরাতের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভির হাতে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এদেশে হতে চলেছে কমনওয়েলথ গেমস। ২০১০ সালে দিল্লির পর এবার আমেদাবাদে। ভারত ছাড়া শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়াতেই দু’বার আসর বসেছে এই প্রতিযোগিতার। এবারের আসরের সাফল্য স্বাভাবিকভাবেই চার বছর পর আরও পদকের আশা জাগাচ্ছে। তাছাড়া সেই আসরে নিজেদের পছন্দের তিনটি ইভেন্ট বেছে নিতে পারবে ভারত। বাদ দেওয়া যাবে সাফল্যের সম্ভাবনা কম এমন তিনটি ইভেন্ট। ক্রীড়ামহলে এটা কাজে লাগানোর ভাবনা এখন থেকেই।
এরইমধ্যে দেশে ফিরে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন গ্লাসগোয় পুরুষদের ট্রিপল জাম্পে ব্রোঞ্জজয়ী সেলভা প্রভু। তিনি বলেছেন, ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্যই সোনা হাতছাড়া হয়েছে। প্রতিযোগিতা শুরুর পরই অসুস্থ হয়ে পড়ি। তবু মনের জোরে শেষ পর্যন্ত লড়ে গিয়েছি।’ এখন তাঁর লক্ষ্য জাপানে আয়োজিত হতে চলা এশিয়ান গেমস। জ্যাভেলিন থ্রোয়ার যশবীর সিং আবার ব্রোঞ্জ পদকের জন্য কৃতিত্ব দিয়েছেন নীরজ চোপড়াকে। তিনি বলেছেন, ‘আমার শেষ থ্রোয়ের আগে উদ্দীপ্ত করেছিল নীরজ। কোন লক্ষ্যে জ্যাভেলিন ছুড়তে হবে সেই পরামর্শ দেয়। তা কাজে আসে। জীবনের সবচেয়ে বড়ো প্রতিযোগিতা ছিল এটা। একশো শতাংশ দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।’
দেশে ফিরে জমকালো সংবর্ধনা পেয়ে রোমাঞ্চিত কমনওয়েলথ গেমসে ভারোত্তোলনে একমাত্র সোনাজয়ী মীরাবাই চানু। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দেশে ফিরে যে সংবর্ধনা পেয়েছি, তাতে অভিভূত। তৃপ্তি দিচ্ছে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিকের নজিরও। সামনেই এশিয়ান গেমস। ৪৯ কেজি বিভাগে অংশ নেব আমি। এই পদকটাই পাইনি কখনও। তবে ওখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক তীব্র।’