নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়: কর্মিসভা করে কোথাও প্রার্থী পরিচিতি হয়েছে। কোথাও প্রচারের অভিমুখ ঠিক করার কাজ হয়েছে জোরকদমে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার পর লাগাতার কর্মসূচি নিচ্ছে তৃণমূল। কোথাও দেওয়াল লিখলেন প্রার্থী। তৃণমূলের জেলা নেতারা জানালেন, ইদের পর পুরোদস্তুর প্রচার শুরু করে দেওয়া হবে। ভোট ঘোষণার পর জনসংযোগের কাজ শুরু করে দিয়েছে সিপিএম। পিছিয়ে নেই বিজেপিও।
এবার তৃণমূলের প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজন প্রথমবার পা রেখেছেন ভোটের ময়দানে। কুলপির বর্ণালী ধাড়া এবং রায়দিঘির তাপস মণ্ডল প্রথমবার দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে দলের কর্মীদের পরিচয় করাতে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। কীভাবে প্রচার হবে? কোন কোন ইস্যু নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে? সেসব নিয়ে হয় আলোচনা। এছাড়াও এদিন কুলতলিতে গণেশ মণ্ডল ও জয়নগর টাউন হলে বিশ্বনাথ দাস প্রস্তুতি সভা করেন। বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী দিলীপ মণ্ডল নিজের নাম লেখেন দেওয়ালে। এভাবেই শুরু করেন ভোটের প্রস্তুতি।
তৃণমূল যখন কর্মিসভার উপর জোর দিয়েছে তখন বিজেপি নেমে পড়েছে এলাকা ঘুরতে। রায়দিঘির বিজেপি প্রার্থী পলাশ রানা বৃহস্পতিবার বাইক মিছিল বের করে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন। কয়েক দিন বাদে মূল প্রচার শুরু করবেন বলে জানালেন তিনি। বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু করলেন প্রচার। দলের কর্মীদের নিয়ে চাটাই বৈঠকও করেন তিনি। কাকদ্বীপের সিপিএম প্রার্থী নারায়ণ দাস কিষাণ ভবন থেকে বাজার পরিক্রমা করতে মিছিল বের করেন। বিকেলে এলাকা ঘোরেন। রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য, এখনও প্রায় দেড় মাসের মতো দেরি আছে নির্বাচনের। তাই কোনো প্রার্থী এখনই বড় কর্মসূচি নেওয়া শুরু করেননি।