


নয়াদিল্লি: বিহারের শেষ দফার সঙ্গে ১১ নভেম্বর দেশের সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আটটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন। রবিবার শেষ হয়েছে ভোটের প্রচার। যে সব আসনে উপনির্বাচন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য তেলেঙ্গানার জুবিলি হিলস। বিআরএস বিধায়কের মৃত্যুতে এই আসনে ভোট হচ্ছে। জুবিলি হিলস উদ্ধারে এবার আদাজল খেয়ে নেমেছেন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। নজিরবিহীনভাবে মুখ্যমন্ত্রী দিনের পর দিন এই কেন্দ্রে প্রচার করেছেন। বাদ নেই তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। কংগ্রেসকে এবার সমর্থন দিচ্ছে ওয়েইসির দল। কংগ্রেস যেমন রাজ্য নেতৃত্বকে মাঠে নামিয়েছে, তেমনি বিজেপি নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের। ফলে এবার জুবিলি হিলসের উপনির্বাচন জমজমাট।
ভোট হচ্ছে পাঞ্জাবের তরণতারণ কেন্দ্রেও। এই কেন্দ্র ধরে রাখতে মরিয়া শাসক আপ। বস্তুত ২০২২ সালে ক্ষমতায় আসার পর ছ’টি উপনির্বাচনের পাঁচটিতেই জয়ী হয়েছে তারা। ঝাড়ু চিহ্নে প্রার্থী হয়েছেন দলবদলু হরমিত সিং। তাঁর হয়ে ইতিমধ্যেই প্রচার করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান, মণীশ শিশোদিয়া সহ আপের শীর্ষ নেতারা। শিরোমণি অকালি দলের হয়ে এবার ব্যাটন হাতে নিয়েছেন সুখবীর সিং বাদল ও তাঁর স্ত্রী সাংসদ হরসিমরত। কংগ্রেসও এবার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলা আসনে আকর্ষণীয় লড়াই। একদিকে জেএমএম, অন্যদিকে এনডিএ। বিজেপি প্রার্থী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের পুত্র বাবুলাল। তাঁকে হারাতে মরিয়া হেমন্ত সোরেন। তিনি নিজে একাধিকবার এই কেন্দ্রে প্রচার সেরেছেন। দলের স্টার ক্যাম্পেনার হেমন্ত-পত্নী কল্পনাও নিয়মিত প্রচার করেছেন। ভোট হবে কাশ্মীরের বদগাঁও কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রটি জিতে ছেড়ে দিয়েছিলেন ওমর আবদুল্লা। স্বভাবতই উপনির্বাচন ওমরের কাছে অ্যাসিড টেস্ট। ত্রিমুখী লড়াইয়ে ওমর কি পারবেন শেষ হাসি হাসতে? এছাড়া বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর ফলে জম্মুর নাগরোটা কেন্দ্রেও উপনর্বিাচন হবে। ওড়িশার নুয়াপাড়া ও মিজোরামের ডাম্পা কেন্দ্রেও ভোটের প্রচার শেষ হয়েছে। এছাড়াও ভোট হবে রাজস্থানের অন্তা আসনেও। এখানে একদিকে যেমন দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট ও বসুন্ধরা রাজের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখার লড়াই। তেমনি তা মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মারও পরীক্ষা। বসুন্ধরা ও ভজন লাল বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন। কংগ্রেস প্রার্থীর হয়েও সর্বশক্তি দিয়ে নেমেছেন গেহলট।