Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

বিশ্ব বেতার দিবস

বিশ্ব বেতার দিবস
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
তথ্য সরবরাহ, শিল্প-বিনোদন, বিভিন্ন চিন্তা-চেতনার আদানপ্রদানে যে ক’টি মাধ্যম ব্যবহৃত হয়, রেডিও বা বেতার তার মধ্যে অগ্রগণ্য। তথ্য ও প্রযুক্তির এই বিস্ফোরণের যুগে দাঁড়িয়ে আজও রেডিওই সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া গণমাধ্যম। শুধু তথ্য বা সংবাদ আদানপ্রদানই নয়, বেতার তরঙ্গ আবিষ্কারের পর থেকে রেডিও যে কতরকমভাবে মানবসমাজের উন্নয়ন ও মঙ্গলের স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বার্তা দেওয়া হোক বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সমাজের প্রান্তিক অংশের কাছে জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়া—রেডিওর মাধ্যমেই যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে সবকিছু। রেডিওর এই অপরিসীম কার্যকারিতাকে স্বীকৃতি জানিয়ে প্রতি বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বেতার দিবস (ওয়ার্ল্ড রেডিও ডে) উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয় ইউনেস্কো। ২০১২ সাল থেকে এই দিবস উদযাপন শুরু হয়েছে। এবার বিশ্ব বেতার দিবস উদযাপনের মাধ্যমে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ’ বা জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইউনেস্কোর ডিরেক্টর জেনারেল আদ্রেই অ্যাজোলে বেতার দিবসের বার্তায় জানিয়েছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুগুলি নিয়ে রেডিও যেভাবে লাগাতার মানুষকে সচেতন করে চলেছে, এবার বিশ্ব বেতার দিবসে রেডিওর সেই অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যত দিন যাচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদগুলি প্রকট হচ্ছে। যেমন, ২০২৪ সাল উষ্ণতম বলে চিহ্নিত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিধ্বংসী দাবানল থেকে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চলে একের পর এক ধস—প্রতি পদক্ষেপে বুঝিয়ে দিচ্ছে প্রকৃতি-পরিবেশের বিপদ। এই পরিস্থিতিতে জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে চর্চা, এ সংক্রান্ত তথ্যের আদানপ্রদান এবং সাধারণ মানুষকে তথ্য সরবরাহ করে সঠিক পদক্ষেপ করার জন্য উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বিশ্ব বেতার দিবসে এই ইস্যুগুলি আরও বেশি করে মানুষের কাছে, সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে যাক—১৩ ফেব্রুয়ারি উদযাপনে এটাই আশা ইউনেস্কোর।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ