নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রবিবার বিরাটি প্ল্যাটফর্ম ও রেলের জমি থেকে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। রেল কর্তৃপক্ষ ছ’টি দোকান ভাঙে। তারপরই হকাররা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দুপুর দেড়টা নাগাদ ট্রেন লাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের সমর্থন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে রেলপুলিস মিনিট দশেকের মধ্যে অবরোধ তুলে দেয়। পরে রেল নতুন করে দোকান ভাঙার চেষ্টা না করায় অশান্তি বাড়েনি। হকারদের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, রুজি-রুটির বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিরাটির তিনটি প্ল্যাটফর্মে প্রায় ২০০ দোকান রয়েছে। এছাড়া আশপাশে রেলের জমিতে কয়েকশো দোকান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয় অটো ও টোটো স্ট্যান্ড রয়েছে। রেলের জমিতে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ নিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রেলের জমি ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছে। কিছুদিন আগে রেল উচ্ছেদ অভিযান চালাতে এসে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। এদিন ফের আরপিএফ, জিআরপির পাশাপাশি প্রচুর পুলিসকর্মী উচ্ছেদ অভিযানে আসেন। সকাল ৯টা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে। উত্তর দমদমের বিরাটি স্টেশন লাগোয়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিপ্লব চৌধুরী ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শেলী হালদারও উপস্থিত থেকে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, দুপুরে রেল কর্তৃপক্ষ বিরাটি ফ্লাইওভারের দুই দিকে মোট ছ’টি দোকান ভাঙে। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হকাররা ট্রেন লাইনের উপর দাঁড়িয়ে পড়েন। একাধিক ট্রেন আটকে যায়। অবস্থা বেগতিক বুঝে রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান থেকে পিছু হটে। দুই কাউন্সিলার বিপ্লববাবু ও শেলীদেবী বলেন, পেটের ভাত কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে আমরা পথে নামবই। রাতারাতি উচ্ছেদ করা হলে কয়েকশো মানুষের রোজগারের কি হবে? সকলেই পরিবার নিয়ে পথে বসবেন। আগে তাঁদের আয়ের বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করে এই ধরনের অভিযান হলে আমরাও রাস্তায় নামব।
স্থানীয় সূত্রে খবর, দুপুরে রেল কর্তৃপক্ষ বিরাটি ফ্লাইওভারের দুই দিকে মোট ছ’টি দোকান ভাঙে। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হকাররা ট্রেন লাইনের উপর দাঁড়িয়ে পড়েন। একাধিক ট্রেন আটকে যায়। অবস্থা বেগতিক বুঝে রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান থেকে পিছু হটে। দুই কাউন্সিলার বিপ্লববাবু ও শেলীদেবী বলেন, পেটের ভাত কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে আমরা পথে নামবই। রাতারাতি উচ্ছেদ করা হলে কয়েকশো মানুষের রোজগারের কি হবে? সকলেই পরিবার নিয়ে পথে বসবেন। আগে তাঁদের আয়ের বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করে এই ধরনের অভিযান হলে আমরাও রাস্তায় নামব।



