নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শনিবার রাত ও রবিবার সকালে বারাসতের হৃদয়পুরে বস্তাবন্দি মানুষের দেহাংশ উদ্ধার হয়। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মাথার হদিস মেলেনি। আর এর জন্য সোমবার দিনভর পুকুরে ডুবুরি নামিয়ে, জাল ফেলে চলে তল্লাশি। আর এই ঘটনায় ‘সুপারি কিলার’র গন্ধ পাচ্ছে পুলিস। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দেহের প্রমাণ লোপাটের জন্য মাথা এই পুকুরে ফেলা হয়নি। আর এই এলাকার অবস্থান নিয়েও চিন্তিত পুলিস। আর এক্ষেত্রে তাদের ভরসা কাটা হাতে থাকা জামার টুকরো ও পুলিসের অন্তর্গত সবকটি থানা সহ সংলগ্ন কমিশনারেটের এলাকার থানার নিখোঁজ ডায়েরি। এছাড়া, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিসের অনুমান, খুনের ঘটনা খুব বেশি দূরে নয় বরং ৮-১০ কিলোমিটারের মধ্যেই হয়েছে। তাই, বারাসত সহ মধ্যমগ্রাম, নিউ বারাকপুর, ঘোলা এলাকার সূত্রকেও কাজে লাগাচ্ছে পুলিস। তবে, পুলিস একপ্রকার নিশ্চিত প্রমাণ লোপাট করতে যেভাবে দেহ টুকরো টুকরো করা হয়েছে তাতে একজন নয়, বরং বেশ কয়েকজন পেশাদার খুনির যোগ রয়েছে। অভিযুক্ত ধরতে জাল পাতছে পুলিস।



