নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: একদিকে বছর শেষে শহরজুড়ে মদ্যপ বাইক আরোহীদের দাপট। অন্যদিকে, কলকাতায় নতুন বছরের আনন্দ সেরে শেষরাতে ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফেরার তাগিদ। তাই মঙ্গলবার রাতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা রেখেছিল হাওড়া সিটি পুলিস। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলিতে নাকা চেকিংয়ের পাশাপাশি জাতীয় সড়ক ও কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো রাস্তায় বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। মহিলাদের নিরাপত্তাতেও সজাগ ছিল উইনার্স টিম।
Advertisement
৬ নম্বর জাতীয় সড়ক, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ও আন্দুল রোডে মঙ্গলবার বিকেল থেকেই যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বাড়তি নজরদারি চালিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। হাইওয়ের ধারে বিভিন্ন বার ও রেস্তরাঁয় ভিড়ের উপরেও ছিল পুলিসি নজরদারি। ডোমজুড়, সাঁকরাইল সহ জাতীয় সড়কের বিভিন্ন এলাকায় বাইক আরোহীদের দাপট রুখতে লাগাতার পেট্রলিং চালায় সংশ্লিষ্ট থানা। হাওড়া শহরের জি টি রোড, ফোরশোর রোড, পঞ্চাননতলা রোড, ড্রেনেজ ক্যানাল রোড, ক্যারি রোড, বেনারস রোডের মতো ব্যস্ত রাস্তায় নাকা পয়েন্ট বসানো হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্রেদ এনালাইজারের সাহায্যেও পরীক্ষা চালানো হয়। হাওড়া পুলিস কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক সুজাতা কুমারী বীণাপাণি বলেন, ‘ড্রিঙ্ক অ্যান্ড ড্রাইভ’-এর ক্ষতিকারক দিক নিয়ে আমরা আগে থেকেই শহরবাসীকে সতর্ক করেছি। কলকাতা থেকে হাওড়ায় আসার সমস্ত পয়েন্টে নাকা চেকিংয়ে কড়াকড়ি করা হয়েছিল।’
বর্ষশেষের রাতে শহরে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিল হাওড়া সিটি পুলিস। সন্ধ্যার পর হাওড়া ময়দান, জি টি রোড, হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ইভটিজারদের দৌরাত্ম্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। মঙ্গলবার বেশি রাত পর্যন্ত এইসব এলাকায় টহলদারি চালায় পিঙ্ক পেট্রলিং ভ্যান। মহিলা থানার উইনার্স টিমকে হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ ও হাওড়া মধ্য জোনে তিনটি দলে ভাগ হয়ে বাইকে চেপে অলিগলিতে ঘুরতে দেখা যায়।
হাওড়ার পঞ্চাননতলার বাসিন্দা রোহিণী মজুমদার বলেন, ‘বর্ষশেষের রাতে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতায় ঘোরার প্ল্যান থাকে। সবাই মিলে আনন্দ করার পর বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে খানিকটা ভয় থাকলেও কলকাতা পুলিসের মতো হাওড়া সিটি পুলিসও শহরের রাস্তায় ভীষণ তৎপর।’
বর্ষশেষের রাতে শহরে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিল হাওড়া সিটি পুলিস। সন্ধ্যার পর হাওড়া ময়দান, জি টি রোড, হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ইভটিজারদের দৌরাত্ম্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। মঙ্গলবার বেশি রাত পর্যন্ত এইসব এলাকায় টহলদারি চালায় পিঙ্ক পেট্রলিং ভ্যান। মহিলা থানার উইনার্স টিমকে হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ ও হাওড়া মধ্য জোনে তিনটি দলে ভাগ হয়ে বাইকে চেপে অলিগলিতে ঘুরতে দেখা যায়।
হাওড়ার পঞ্চাননতলার বাসিন্দা রোহিণী মজুমদার বলেন, ‘বর্ষশেষের রাতে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতায় ঘোরার প্ল্যান থাকে। সবাই মিলে আনন্দ করার পর বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে খানিকটা ভয় থাকলেও কলকাতা পুলিসের মতো হাওড়া সিটি পুলিসও শহরের রাস্তায় ভীষণ তৎপর।’



