নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেকের মহিষবাথানে বর্ষবরণের রাতে মারধর করা হয়েছিল এক যুবককে। ১ জানুয়ারি সকালে আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃত যুবকের এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা। সরাসরি খুনের মামলাও রুজু করা হয়েছে। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর কমিশনারেট। তবে, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তার কিনারা এখনও হয়নি। ঘটনার সময় কারা কারা উপস্থিত ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। তদন্তে আরও দু’জনের নাম মিলেছে। তার মধ্যে একজন পলাতক। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সুব্রত মাজি (২৫)। তিনি পেশায় ফুড ডেলিভারি বয় ছিলেন। ধৃত বন্ধুর নাম সবুজ মিস্ত্রি।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহিষবাথানের উদয়নপল্লি এলাকায়। বর্ষবরণ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সুব্রত। সঙ্গে ছিলেন সবুজ সহ আরও কয়েকজন। তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, সেদিন রাতে স্থানীয় মাঠে গানের অনুষ্ঠান চলছিল। কেক কাটাও হয়েছিল। রাত ৩টে নাগাদ বাড়ির লোকজন খবর পান, সুব্রত জখম হয়েছেন। তাঁর বন্ধুরাই তাঁকে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তারপর সুব্রতকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু, বাড়ি ফেরার পর অসুস্থতা বাড়ে। ১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বিধাননগর মহকুমা হাসসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় সুব্রতর।
এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বুধবার রাতে পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, সুব্রতর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্ষবরণের রাতে মারধর করার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিস জানতে পেরেছে, যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই সবুজও স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিল সুব্রতকে নিয়ে। সে গোটা ঘটনার সাক্ষী। এই মামলায় ময়নাতদন্তের রিপোর্টও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাতে মাথা ছাড়াও শরীরের অন্য কোথাও আঘাত আছে কি না, সেই আঘাত কীভাবে লেগেছে, তা স্পষ্ট হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিধাননগরের ডেপুটি পুলিস কমিশনার অনীশ সরকার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমরা একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আদালত তাকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বুধবার রাতে পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, সুব্রতর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্ষবরণের রাতে মারধর করার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিস জানতে পেরেছে, যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই সবুজও স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিল সুব্রতকে নিয়ে। সে গোটা ঘটনার সাক্ষী। এই মামলায় ময়নাতদন্তের রিপোর্টও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাতে মাথা ছাড়াও শরীরের অন্য কোথাও আঘাত আছে কি না, সেই আঘাত কীভাবে লেগেছে, তা স্পষ্ট হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিধাননগরের ডেপুটি পুলিস কমিশনার অনীশ সরকার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমরা একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আদালত তাকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।



