সংবাদদাতা, বনগাঁ: সনাতনীদের বিরিয়ানি খাওয়া নিয়ে তোপ দাগল সনাতনী ঐক্য পরিষদ। তার জন্য সোমবার পেট্রাপোল সীমান্তে বিশাল সভার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু উপস্থিত মানুষকে খুশি করতে সভাশেষে বিলি করা হল ১০ হাজার বিরিয়ানির প্যাকেট। বিরিয়ানি বয়কট নিয়ে আলোচনা করতে করতেই চলল বিরিয়ানি খাওয়া। পুরো সভা ম ম করল বিরিয়ানির গন্ধে!
Advertisement
অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা এদেশে এসে একের পর এক বিরিয়ানির দোকান খুলে বসেছে। সেখানে হালালের মাংসের বিরিয়ানি খেতে লাইন দিচ্ছেন এদেশের হিন্দুরাও। বাংলাদেশ ইস্যুতে সোমবার অনুপ্রবেশকারীদের তৈরি বিরিয়ানি বয়কটের ডাক দেন সনাতনীরা। এছাড়া এদিন পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হওয়া চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে সভা হয়। সনাতনী ঐক্য পরিষদের আড়ালে একপ্রকার বিজেপির সভাই অনুষ্ঠিত হয়। মঞ্চে বিজেপির একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে বক্তব্য দিতে উঠে বিরিয়ানির দোকান বয়কটের ডাক দেন বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, রাজ্যে যেভাবে বিরিয়ানির দোকান হয়েছে, তাতে হিন্দু থাকতে পারে না। বিরিয়ানি নিয়ে সরব হন কালিকানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, বিরিয়ানির দোকান বন্ধ করতে হবে। যদিও অনুষ্ঠান শেষে দেখা গেল সভায় আসা মানুষদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বিরিয়ানিরই প্যাকেট। জানা গিয়েছে, এদিন ১০ হাজার মানুষের বিরিয়ানির ব্যবস্থা ছিল। সভা শেষে প্রায় সকলকেই বাড়ি ফেরার পথে বিরিয়ানির প্যাকেট হাতে দেখা গিয়েছে।
বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার ও চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে সভায় বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, ওদেশে থাকা হিন্দুদের সমস্ত রকম সাহায্য করতে হবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি আবেদন করবেন বলেও জানান। সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে সভায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এদিন একপ্রকার হুমকি দেওয়া হয়। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তি ও হিন্দুদের উপর অত্যাচার বন্ধ না হলে আগামীতে দু’ দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি নেতারা। সভা শেষে সনাতনীদের নিয়ে নো ম্যানস ল্যান্ড পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল হয়। কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মেলান। জিরো পয়েন্টের ৩০ মিটার আগে মিছিল আটকায় বিএসএফ। সেখানে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বেলুন উড়িয়ে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে সরব হন সকলেই।
বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার ও চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে সভায় বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, ওদেশে থাকা হিন্দুদের সমস্ত রকম সাহায্য করতে হবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি আবেদন করবেন বলেও জানান। সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে সভায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এদিন একপ্রকার হুমকি দেওয়া হয়। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তি ও হিন্দুদের উপর অত্যাচার বন্ধ না হলে আগামীতে দু’ দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি নেতারা। সভা শেষে সনাতনীদের নিয়ে নো ম্যানস ল্যান্ড পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল হয়। কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মেলান। জিরো পয়েন্টের ৩০ মিটার আগে মিছিল আটকায় বিএসএফ। সেখানে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বেলুন উড়িয়ে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে সরব হন সকলেই।



