নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাম আমলে অধিগৃহীত ১২ একর জমি ফিরে পেতে চলেছেন ৩২১ জন জমিমালিক। ১৫ বছর বাদে এ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। আদালতে আবেদনের ভিত্তিতে সরকার ও মামলাকারী, দুই পক্ষই কোর্টের বাইরে সমঝোতা করে নিয়েছে। এর আগে এভাবে কখনও সরকার কর্তৃক অধিগৃহীত জমি ফেরানোর নজির নেই বলেই জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। সিঙ্গুর আন্দোলনে জমি ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নন্দীগ্রাম-ভাঙড়ে গণ-আন্দোলনের চাপে অধিগ্রহণ সংক্রান্ত নোটিস প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু আগের সরকারের অধিগৃহীত জমি বর্তমান সরকারই ফিরিয়ে দিচ্ছে—এমন দৃষ্টান্ত বিরল বলেই মনে করছে তারা।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালে বারুইপুরে প্রায় ৫০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল তৎকালীন বাম সরকার। সেই জমির একাংশে গড়ে উঠেছে আলিপুর থেকে স্থানান্তরিত সংশোধনাগার। কিন্তু ৩২১জন ক্রেতা (ব্যক্তি ও ছোট সংস্থা) রাস্তা সংলগ্ন অনেকটা জমি আগেই কিনে রেখেছিল। তারা কোনও ক্ষতিপূরণ পায়নি। তার প্রেক্ষিতে ২০০৯ সালে হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। সিঙ্গল বেঞ্চ ও ডিভিশন বেঞ্চে মামলাকারীদের পক্ষেই রায় যায়। রাজ্য সরকার সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। মামলার শুনানিতে বাদী ও বিবাদী পক্ষ আদালতের বাইরে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা করে নেবে বলে প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাব বিবেচনা করার অধিকার কলকাতা হাইকোর্টের বলে জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ওই ক্ষুদ্র জমি মালিকদের পক্ষে সুব্রত বসু সহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্তরা এবং রাজ্য সরকার ১ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টে ‘কম্প্রোমাইজ পিটিশন’ বা সমঝোতা আবেদন পেশ করে।
তার ভিত্তিতেই প্রায় ১৫ বছর পর এই জমি সংক্রান্ত বিতর্কের সমাধান হল। ৩২১ জন ক্ষুদ্র মালিকের ১২ একরের পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থার ১২ একর এবং আরও ১২ একর দীর্ঘমেয়াদি লিজ হোল্ড জমি, অর্থাৎ মোট ৩৬ একর জমি ফেরত দেবে রাজ্য। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনার পর অনুমোদন মিললেই জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।
তার ভিত্তিতেই প্রায় ১৫ বছর পর এই জমি সংক্রান্ত বিতর্কের সমাধান হল। ৩২১ জন ক্ষুদ্র মালিকের ১২ একরের পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থার ১২ একর এবং আরও ১২ একর দীর্ঘমেয়াদি লিজ হোল্ড জমি, অর্থাৎ মোট ৩৬ একর জমি ফেরত দেবে রাজ্য। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনার পর অনুমোদন মিললেই জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।



