নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বর্ধিত হারে পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও বহু সংস্থা তাদের সম্মতি জানায়নি। সেই কাজ আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। দপ্তরের কর্তারা বলছেন, যাঁরা পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন এবং বিষয়টি তাঁর কর্মদাতা সংস্থার কাছে ঝুলে আছে, সেই ব্যাপারে তাঁরা যেন সংশ্লিষ্ট সংস্থায় তদ্বির করেন।
Advertisement
বর্ধিত হারে পেনশনের ক্ষেত্রে যেমন কর্মচারী আবেদন করবেন, তেমনই কর্মদাতা সংস্থাকেও তাতে সম্মতি দিতে হবে। ইপিএফও কর্তাদের বক্তব্য, সময়সীমা বারবার বাড়ানোর পরও বহু সংস্থার তরফে এই প্রকল্পে সম্মতি মেলেনি। সময়সীমা পেরনোর পর দেখা যাচ্ছে, এখনও তিন লাখের উপর সংস্থা কাজটি করেনি। কেন্দ্র তার জন্য সময়সীমা ফের বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
এই কাজে পেনশনের জন্য আবেদনকারীরাও যাতে উদ্যোগ নেন, সেই অনুরোধ করেছেন দপ্তরের কর্তারা। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছেন, সাড়ে চার লাখের বেশি কর্মদাতা সংস্থার কাছে বাড়তি তথ্য চেয়েও পাওয়া যায়নি। সেই তথ্য আপডেশনের জন্য ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এতেও যাতে গতি আসে তার জন্য অনুরোধ করেছেন ইপিএফও কর্তারা। তাঁদের কথায়, দপ্তর এই সময়সীমাকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধার্য করেছে। ফলে নির্দিষ্ট তারিখ পেরলে সমস্যায় পড়বেন আবেদনকারীরা। প্রসঙ্গত, পিএফের আওতায় বর্ধিত হারে পেনশন দেওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে তারা বর্ধিত পেনশন দিতে রাজিই হয়নি। মামলা মকদ্দমার পর সুপ্রিম কোর্টের গুঁতোয় বর্ধিত হারে পেনশন দিতে দেরিতে হলেও রাজি হয় তারা। কিন্তু তার জন্য এত বেশি শর্ত চাপানো হয় যে, তা কর্মী বা আবেদনকারীর কাছে রীতিমতো বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। কর্মদাতা সংস্থার কাছে অনুমতি ও হরেক তথ্য চেয়ে পাঠানো তেমনই একটি শর্ত।
বর্ধিত পেনশনের জন্য আবেদনকারীরা বলেন, এই পেনশন দেওয়ার ব্যাপারে সরকার আন্তরিক হলে এত টালবাহানা করত না। কারণ, প্রায় ১৮ লক্ষ আবেদন জমা পড়লেও এখনও ২০ হাজার জনেরও পেনশন চালু করতে পারেনি তারা। এনিয়ে বারবার ক্ষোভ জানিয়েছেন আবেদনকারীরা। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির ময়দানে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। কিন্তু সেসবে কান দিতে নারাজ মোদি সরকার। নিয়ম শিথিল করার কোনও চেষ্টাই করেনি তারা।
এই কাজে পেনশনের জন্য আবেদনকারীরাও যাতে উদ্যোগ নেন, সেই অনুরোধ করেছেন দপ্তরের কর্তারা। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছেন, সাড়ে চার লাখের বেশি কর্মদাতা সংস্থার কাছে বাড়তি তথ্য চেয়েও পাওয়া যায়নি। সেই তথ্য আপডেশনের জন্য ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এতেও যাতে গতি আসে তার জন্য অনুরোধ করেছেন ইপিএফও কর্তারা। তাঁদের কথায়, দপ্তর এই সময়সীমাকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধার্য করেছে। ফলে নির্দিষ্ট তারিখ পেরলে সমস্যায় পড়বেন আবেদনকারীরা। প্রসঙ্গত, পিএফের আওতায় বর্ধিত হারে পেনশন দেওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে তারা বর্ধিত পেনশন দিতে রাজিই হয়নি। মামলা মকদ্দমার পর সুপ্রিম কোর্টের গুঁতোয় বর্ধিত হারে পেনশন দিতে দেরিতে হলেও রাজি হয় তারা। কিন্তু তার জন্য এত বেশি শর্ত চাপানো হয় যে, তা কর্মী বা আবেদনকারীর কাছে রীতিমতো বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। কর্মদাতা সংস্থার কাছে অনুমতি ও হরেক তথ্য চেয়ে পাঠানো তেমনই একটি শর্ত।
বর্ধিত পেনশনের জন্য আবেদনকারীরা বলেন, এই পেনশন দেওয়ার ব্যাপারে সরকার আন্তরিক হলে এত টালবাহানা করত না। কারণ, প্রায় ১৮ লক্ষ আবেদন জমা পড়লেও এখনও ২০ হাজার জনেরও পেনশন চালু করতে পারেনি তারা। এনিয়ে বারবার ক্ষোভ জানিয়েছেন আবেদনকারীরা। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির ময়দানে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। কিন্তু সেসবে কান দিতে নারাজ মোদি সরকার। নিয়ম শিথিল করার কোনও চেষ্টাই করেনি তারা।



