Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ধমানের প্রত্যন্ত এলাকায় ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প, প্রচারে কন্যাশ্রীরা

বর্ধমানের প্রত্যন্ত এলাকায় ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প, প্রচারে কন্যাশ্রীরা
  • ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: এবার প্রত্যন্ত এলাকাতেও ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প করবে প্রশাসন। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় দু’-তিনটি ক্যাম্প করা হবে। জনসংখ্যা অনুযায়ী শহরের ওয়ার্ডগুলিতেও ক্যাম্প হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে ৩৭টি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। ক্যাম্পে এসসি, এসটি সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র জমা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে। প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা যাতে এবিষয়ে জানতে পারেন তার জন্য কন্যাশ্রী এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দিয়ে প্রচার চালানো হবে। এছাড়া তফসিলি বন্ধু, মানবিক, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ঐক্যশ্রী প্রকল্পের জন্যও আবেদন করা যাবে। বিনামূল্যে সুরক্ষা যোজনা এবং পাট্টার জমির জন্যও আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। ২৪জানুয়ারি থেকে ১ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ক্যাম্প থেকে আবেদনপত্র নেওয়া হবে। 
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বার্ধক্যভাতার জন্যও বাড়ির কাছেই ক্যাম্পে আবেদনপত্র জমা করা যাবে। এছাড়া কৃষকবন্ধু, বিধবাভাতা, কন্যাশ্রীর প্রকল্পের জন্যও আবেদন করা যাবে। এক আধিকারিক বলেন, আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় বেশি সংখ্যক ক্যাম্প করা হবে। বহু আদিবাসী পরিবার এখনও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। অনেকের এসটি সার্টিফিকেটও নেই। এইসমস্ত সুবিধা দেওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সম্প্রতি আউশগ্রাম, গলসি, বর্ধমান-১ ব্লক সহ বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করেছে। খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ ক্যাম্প পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু তারপরও এখনও অনেকেই এসটি সার্টিফিকেট পাননি। তাঁদের তা পৌঁছে দিতেই এবার বেশি সংখ্যায় দুয়ারে সরকার ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কবে কোথায় ক্যাম্প হচ্ছে তা জানানোর জন্য লাগাতার প্রচার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, জেলাজুড়েই ক্যাম্প করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ক্যাম্প সম্পর্কে জনগণকে জানাতে জনপ্রতিনিধিদেরও প্রচার চালানোর জন্য বলা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামেই স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং কন্যাশ্রীরা রয়েছেন। তাঁদেরকে দিয়ে প্রচার করিয়ে প্রত্যন্ত এলাকার সমস্ত বাসিন্দাদের সুবিধা দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে মোবাইল ক্যাম্পও করা হবে। প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে মোবাইল ক্যাম্প চলবে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও ক্যাম্পগুলি পরিদর্শন করবেন। আগের ক্যাম্পগুলিতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। এবার অন্যান্য প্রকল্পগুলির জন্যও বহু আবেদনপত্র জমা পড়বে ধরে নিয়েই আধিকারিকরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ