সংবাদদাতা, বজবজ: বিড়লাপুর জুটমিলের গঙ্গার ঘাট থেকে স্নান করতে গিয়ে গত দেড় বছরে তিনবার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন মায়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। কেন বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে? স্থানীয় বাসিন্দা ও বিড়লা জুটমিলের শ্রমিকদের কথায়, ঘাটের পরিসর খুবই ছোট। ফলে একসঙ্গে একদিনে পূণ্যস্নানের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ জমায়েত হলে ঠেলাঠেলি হয়। এছাড়া অনেকে ঘাটের বাইরেও গঙ্গায় নেমে যান। নিয়ন্ত্রণের কোনও নজরদারি নেই। যত্রতত্র গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে এমন বিপদ হচ্ছে। এই ঘাট আরও বড় করা দরকার। এক শ্রমিক বলেন, এবার ছটপুজোর সময় এই ছোট ঘাটের জন্য অনেকে বাইরে চলে গিয়ে সেখানে পুজোর আয়োজন করেন।
Advertisement
মায়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভিতর বিড়লাপুর জুটমিল ঘাট। তার প্রধান শেখ মোজাম্মেল বলেন, ঘাটটি বিড়লাপুর জুটমিল কোম্পানি তৈরি করেছিল। একটি জেটিও আছে। এক সময় বাইরে থেকে জলপথে বড় নৌকায় পাট ওই ঘাটে আসত। সেই অনুসারে ২০ ফুট চওড়া একটা ঘাট হয়েছিল। তার উভয় দিকে উঁচু করে গার্ডওয়াল দেওয়া। আমাদের এখানে বিড়লা জুটমিলের শ্রমিক ও তাদের পরিবার মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বছরে চার থেকে পাঁচবার বিশেষ দিনে স্নান করতে যান। ছোট পরিসরে অসুবিধা হয়। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত চিন্তাভাবনা করেছে, ঘাট ৫০ মিটার চওড়া এবং নীচ পর্যন্ত সিঁড়ি, নীচে গার্ডওয়াল দেওয়া, পাশাপাশি ঘাটের বাইরে নজরদারি রাখা যাতে টপকে অন্য জায়গা দিয়ে কেউ গঙ্গায় নামতে না পারে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিষয়টি পাঠানো হচ্ছে।



