সংবাদদাতা, ডোমকল: পলেস্তরা খসে পড়ছে। কংক্রিটের রেলিং থেকে সিমেন্টের চাঙড়গুলি কেউ যেন খুবলে নিয়েছে। বেরিয়ে এসেছে লোহার রড। একাধিক অংশে ভেঙে পড়েছে আস্ত রেলিং। সাগরপাড়ার ডোমপাড়ার অধীর প্রামাণিক সেতু বা ডোমপাড়া ব্রিজের এমনই বেহাল অবস্থায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সেতুর অবস্থা ক্রমশ খারাপ হলেও তা সংস্কারে উদ্যোগী হয়নি প্রশাসন। ফলে একপ্রকারে প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই রেলিং ভাঙা সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে চলাফেরা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা দ্রুত সেতু মেরামতির দাবিতে সরব হয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সাগরপাড়ার ধনীরামপুর ডোমপাড়ায় সাহেবনগর বিলের ওপর অবস্থিত সেতুটির নাম অধীর প্রামাণিক সেতু। তবে পুরো এলাকায় সেতুটি ডোমপাড়া ব্রিজ নামেই পরিচিত। প্রায় বছর ৩০ আগে ১৯৯৫ সালে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের তরফে সেতুটি তৈরি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি , তৈরির কুড়ি বছর পার হতেই সেতুতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে থাকে। যদিও তখন থেকেই সেতুর স্বাস্থ্য ফেরাতে উদ্যোগী হয়নি প্রশাসন। ফলে বছরের পর বছর ধরে সেতু আরও বেহাল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সেতুর একাধিক জায়গায় রেলিং একেবারে ভেঙে পড়েছে। কোথাও রেলিং হেলে গিয়েছে একদিকে। বিভিন্ন অংশে রেলিংয়ের সিমেন্টের চাঙড় খুলে এসেছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সেতুতে উঠলে অনেক সময় তা দুলে ওঠে।
সাহেবনগর বিলের ওপর অবস্থিত এই সেতুটি আশপাশের একাধিক এলাকায় যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ওই সেতুর ওপর দিয়ে খয়েরতলা, টিকটিকিপাড়া, লালকূপ, নলবোনা, নতুন বামনাবাদ সহ চর কাকমারীর একটি অংশের লোকজন যাতায়াত করে। এছাড়াও ওই সেতুর ওপর দিয়েই আশপাশের দু’-তিনটি স্কুলে যাতায়াত করে পড়ুয়ারা। এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় দিনের পর দিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করায় বাড়ছে বিপদের শঙ্কা। যদিও সেতুটি সংস্কারে কোনও হেলদোল নেই প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধিদের।
আরিফ আলি নামের এক বাসিন্দা বলেন, এই ব্রিজ আমাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। রাতবিরেতে এই ব্রিজের ওপর দিয়েই আমরা চলাফেরা করি। সেতুর বিভিন্ন অংশে রেলিং ভাঙা। যেকোনও সময় বিপদ ঘটে যেতেই পরে। বর্ডার ডেভেলপমেন্ট কমিটির সম্পাদক জুলফিকার আলি বলেন, ওই সেতু খয়েরতলা, টিকটিকিপাড়া, লালকূপ, নতুন বামনাবাদের মতো সীমান্তের গ্রামগুলির বাসিন্দাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও জরুরি ক্ষেত্রে বিএসএফও ওই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে পারে। ফলে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ একটা সেতু দিনের পর দিন এভাবে বেহাল হয়ে পড়ছে এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই দ্রুত ওই সেতু সংস্কার করা হোক।
জলঙ্গি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কবিরুল ইসলাম বলেন, সেতুর ওই অবস্থার কথা আমার জানা ছিল না। দ্রুত আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেতুটি সংস্কারের ব্যবস্থা করব।
সাহেবনগর বিলের ওপর অবস্থিত এই সেতুটি আশপাশের একাধিক এলাকায় যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ওই সেতুর ওপর দিয়ে খয়েরতলা, টিকটিকিপাড়া, লালকূপ, নলবোনা, নতুন বামনাবাদ সহ চর কাকমারীর একটি অংশের লোকজন যাতায়াত করে। এছাড়াও ওই সেতুর ওপর দিয়েই আশপাশের দু’-তিনটি স্কুলে যাতায়াত করে পড়ুয়ারা। এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় দিনের পর দিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করায় বাড়ছে বিপদের শঙ্কা। যদিও সেতুটি সংস্কারে কোনও হেলদোল নেই প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধিদের।
আরিফ আলি নামের এক বাসিন্দা বলেন, এই ব্রিজ আমাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। রাতবিরেতে এই ব্রিজের ওপর দিয়েই আমরা চলাফেরা করি। সেতুর বিভিন্ন অংশে রেলিং ভাঙা। যেকোনও সময় বিপদ ঘটে যেতেই পরে। বর্ডার ডেভেলপমেন্ট কমিটির সম্পাদক জুলফিকার আলি বলেন, ওই সেতু খয়েরতলা, টিকটিকিপাড়া, লালকূপ, নতুন বামনাবাদের মতো সীমান্তের গ্রামগুলির বাসিন্দাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও জরুরি ক্ষেত্রে বিএসএফও ওই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে পারে। ফলে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ একটা সেতু দিনের পর দিন এভাবে বেহাল হয়ে পড়ছে এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই দ্রুত ওই সেতু সংস্কার করা হোক।
জলঙ্গি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কবিরুল ইসলাম বলেন, সেতুর ওই অবস্থার কথা আমার জানা ছিল না। দ্রুত আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেতুটি সংস্কারের ব্যবস্থা করব।



