Bartaman Logo
২৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতার: আগের সরকার কড়া হলে ছেলেকে মরতে হত না, আক্ষেপ ঘোষ পরিবারের

সোমবার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রশাসনের কর্তাদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সীমান্তে কাঁটাতার: আগের সরকার কড়া হলে ছেলেকে মরতে হত না, আক্ষেপ ঘোষ পরিবারের
  • ১২ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: সোমবার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রশাসনের কর্তাদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করতে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির হাওয়া। তবে গাইঘাটা সীমান্তে ঘোষ পরিবারে কানপাতলেই শোনা যায় আক্ষেপের সুর। ২০১৪ সালে পরিবারের এক সদস্য বাংলাদেশি পাচারকারীদের হাতে খুন হন। তাঁকে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এদিন পরিবারের সদস্যদের আক্ষেপ, ‘সেদিন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকলে ওই ঘটনা ঘটত না।’

Advertisement

২০১৪ সালের মে মাসে বাড়ির কাছে গাইঘাটার বাসিন্দা আরপিএফ কর্মী নির্মল ঘোষকে কুপিয়ে খুন করে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। তখন প্রতিদিন বাড়ির উপর দিয়ে শয়ে শয়ে গোরু বাংলাদেশে পাচার হত। একদিন জানালা দিয়ে নির্মল ঘোষের মোবাইল ফোন চুরি করে দুষ্কৃতীরা। বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের কাজ বুঝতে পেরে পরদিন পাচারের গোরু আটকে রাখেন তিনি। দু’দিন পরে  ৫০ জন বাংলাদেশি পাচারকারী দা, হাঁসুয়া নিয়ে হামলা চালায়। সঙ্গে ছিল কিছু স্থানীয় দুষ্কৃতী। দুষ্কৃতীরা নির্মলকে কুপিয়ে খুন করেছিল। এদিন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার খবর শুনে খুশি মৃত নির্মল ঘোষের বৃদ্ধা মা। কাঁটাতার হচ্ছে খবর শুনে বৃদ্ধা বলেন, ভালো হচ্ছে। গাইঘাটার বাসিন্দা গৌতম মণ্ডল বলেন, তিন বছর আগে আমি জমি দিয়েছি কাঁটাতারের জন্য। এখনও কিছুটা জমি বিভিন্ন কারণে আটকে আছে। আমরা চাই দ্রুত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হোক। তাহলে বাড়বে নিরাপত্তা। কমবে দুষ্কৃতী হামলার আশঙ্কা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ