Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বুনিয়াদপুরে ফাটাকালী পুজোয় বটের ডাল ভেঙে জখম পাঁচ, দমকল ও পুরসভার ভূমিকায় ক্ষোভ, ভাড়ায় করাত এনে আহতদের উদ্ধার

বুনিয়াদপুরে ফাটাকালী পুজোয় বটের ডাল ভেঙে জখম পাঁচ, দমকল ও পুরসভার ভূমিকায় ক্ষোভ, ভাড়ায় করাত এনে আহতদের উদ্ধার
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বুনিয়াদপুর শহরে ফাটাকালী পুজোয় বিপত্তি বটগাছের ডাল ভেঙে। জখম হয়েছেন ৫ জন। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে কঙ্কালসার অবস্থা উঠে এল দমকল ও পুরসভার। জখমদের নাম সুজন মহন্ত, মিনতি সিং, ষষ্ঠী সিং, কঙ্কন মণ্ডল ও আবির বিশ্বাস। তাঁর বাড়ি বুনিয়াদপুর শহরেই। মঙ্গলবার রাতে পুজো চলাকালীন আচমকা বটগাছের মোটা ডাল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। গাছের ডালে চাপা পড়েন পাঁচজন। স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় জখম ভক্তদের উদ্ধার করেন। রাতেই জখমদের রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও দুজনকে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তাঁদের  চিকিৎসা চলছে। স্থানীয়রা জানান, শতাব্দী প্রাচীন এই বটগাছের নীচে ফাটাকালীর পুজো হয়ে আসছে। 
Advertisement
মঙ্গলবার রাতে পুজোর সময় গাছটির মোটা ডাল ভেঙে পড়ে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান কয়েকশো দর্শনার্থী। পুজো প্যান্ডেলের উপর গাছের ডাল পড়ে সমস্ত কিছু ভেঙে যায়। মন্দিরে ঢোকার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। পুজোয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিস ও সিভিকরাও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। বুনিয়াদপুর দমকল কেন্দ্রের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। অভিযোগ,  দমকল বাহিনী দড়ি ও করাত না আনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। এরপর পুরসভার কর্মীরা গাছের ডাল কাটতে করাত নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই করাতও কিছুক্ষণের মধ্যে অকেজো হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রাই ভাড়া করে করাত এনে গাছের কিছু ডাল কেটে শহরের রাস্তা সচল করে। তবে মন্দির চত্বরে এখনও গাছের মোটা ভাঙা ডাল আটকে রয়েছে বিপজ্জনকভাবে। 
শহরবাসীর অনেকেরই অভিযোগ, দমকল ও বুনিয়াদপুর পুরসভা উদ্ধারকাজে এসে কার্যত দর্শকের ভূমিকায় ছিল। বুনিয়াদপুর দমকল কেন্দ্রের ওসি শান্তনু মজুমদার বলেন, আমরা আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বুনিয়াদপুর পুরসভার প্রশাসক জয়ন্ত কুণ্ডু বলেন, শুনলাম, লাইট ছাড়া দমকলের কাছে কিছুই নেই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য। স্থানীয় বাসিন্দা সন্তু মিশ্র বলেন, ঘটনার পর মন্দির কমিটির কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমরাই উদ্ধারে হাত লাগাই। সন্তুর সংযোজন, দমকলের করাত নেই। আর পুরসভার করাত কাটে না। পরে ভাড়া করে করাত এনে গাছের মোটা ডাল কেটে মানুষের প্রাণ বাঁচানো হয়। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ