Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলার বাড়ি: উপভোক্তাদের ভয় দেখালেই ব্যবস্থা, নির্দেশ পুলিসকে

বাংলার বাড়ি: উপভোক্তাদের ভয় দেখালেই ব্যবস্থা, নির্দেশ পুলিসকে
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘর থেকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের টাকা ছাড়ার সূচনা করতে তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে। ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বেশ কয়েকজন উপভোক্তার হাতে প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন বলে জানা গিয়েছে। সেদিন নবান্ন সভাঘরে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে ‘বাংলার বাড়ি’র টাকা দেওয়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় নিজস্ব কোষাগার থেকেই বাংলার মানুষকে পাকা বাড়ি তৈরির সম্পূর্ণ টাকা দিচ্ছে রাজ্য। এর জন্য খরচ হবে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। তাই সম্পূর্ণ পৃথক অনুষ্ঠান করে এই টাকা দেওয়ার সূচনা করা যায় কি না, সেই ভাবনাচিন্তাও চলছে প্রশাসনের অন্দরে। তবে নবান্ন সভাঘর থেকেই টাকা ছাড়া শুরু হবে ধরে নিয়ে কাজ এগিয়ে রাখছে পঞ্চায়েত দপ্তর। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৪২ জন উপভোক্তাকে সেদিন নবান্নে নিয়ে আসতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের হাতেই নবান্ন সভাঘরের অনুষ্ঠান থেকে প্রকল্পের সুবিধা তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সময়ে বাকি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা ঢুকতে শুরু করবে। উপভোক্তারা টাকা পাওয়ার পর তাঁদের যাতে কেউ কোনওভাবে হুমকি বা ভীতিপ্রদর্শন না করতে পারে, তার জন্য জেলা প্রশাসনকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়ে রেখেছে নবান্ন। এমন কোনও ঘটনা ঘটলেই পুলিসকে খবর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শনিবার প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে পঞ্চায়েত দপ্তরের তরফে এই মর্মে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। 
Advertisement
নবান্ন সূত্রে খবর, শেষ মুহূর্তেও টাকা ছাড়া নিয়ে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করছে রাজ্য সরকার। অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন, এমন উপভোক্তারা যাতে কোনওভাবেই ‘বাংলার বাড়ি’র টাকা না পান, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ‘ডেস্টিটিউট উইমেন হাউজিং’ প্রকল্পের সুবিধা যাঁরা আগে পেয়েছেন, তাঁদের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন উপভোক্তাদের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। বিডিওদের এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে ই-বণ্টনের মাধ্যমে রাজ্যের তরফে জেলা প্রশাসনকে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্লক স্তরেও আধিকারিকরা তৈরি থাকছেন। রাজ্য থেকে নির্দেশ গেলেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ