নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বেলডাঙায় এক মহিলাকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। মৃতার নাম সীতা ঘোষ জমাদার(৩৮)। তিনি বেলডাঙা পুরসভার অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। রবিবার সকালে পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাইশপল্লি-ঘোষপাড়া এলাকার ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনায় এক মহিলা সহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিস। জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বিবাদের জেরেই ওই ঘটনা ঘটেছে। আমরা অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। জানা গিয়েছে, রবিবার পুরসভার একটি ট্যাপ কল থেকে পাইপের সাহায্যে নিজের বাড়িতে জল নিয়ে যাচ্ছিলেন সীতাদেবী। সেই সময় দুই প্রতিবেশী তাঁদের বাড়ির উপর দিয়ে জলের পাইপ নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদ করেন। কারণ একজনের ওই পাইপে পা লেগে নখ উপড়ে গিয়েছে। সেই রাগে তারা পাইপ কেটে দেয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই সময় ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এক প্রতিবেশী এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গলায়, মুখে এবং হাতে কোপ লেগে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন সীতাদেবী। বাড়ির সামনেই বেশ কিছুক্ষণ রাস্তায় পড়ে তিনি ছটফট করতে থাকেন। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন তাঁর মেয়ে রুপালি হাজরাও। ঘটনার ভিডিও তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি সেখানে পৌঁছয় পুলিস। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালের বেডে শুয়ে রুপালি বলেন, আমি মায়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। দেখি পাশের বাড়ির দুই যুবক মাকে গালাগালি করছে। সামান্য জলের পাইপ যাওয়া নিয়ে গণ্ডগোল শুরু হয়। ঝামেলা মেটাতে গেলে মায়ের পাশাপাশি আমাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে।



