সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ২০০৬ সালে রাজাভাতখাওয়ায় গড়ে উঠেছিল কৃত্রিম শকুন প্রজনন কেন্দ্র। পরীক্ষামূলকভাবে এই শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে ২০২৪ সালে হোয়াইট ব্যাকড প্রজাতির সাতটি শকুনকে প্রকৃতির খোলা আকাশে ছাড়া হয়েছিল। ছাড়া পেয়ে সেই শকুনগুলি বক্সার জঙ্গলের গাছে বাসা বাঁধে। ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি শকুনের পায়ে আমেরিকা থেকে আনা প্ল্যাটফর্ম ট্রান্সমিটার টার্মিনাল চিপ লাগানো হয়েছিল।
Advertisement
বুধবার বনদপ্তর জানিয়েছে, শকুনগুলি বংশবিস্তার করেছে। চারটি বাসায় দু’টি করে ছানা রয়েছে। অন্য চারটি বাসায় দু’টি করে ডিমও আছে। ওই শকুন ছানাগুলি অল্পবিস্তর উড়তেও শুরু করেছে। যা রাজ্যে এই প্রথম বলে জানিয়েছে বনদপ্তর। শকুন ছানাগুলির উড়ান শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত বনদপ্তর। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন বলেন, আমরা আশাবাদী বক্সার জঙ্গল ক্রমশ শকুনে ভরে উঠবে।



