Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বকখালি-কুলতলি-ডায়মন্ডহারবারে পিকনিকের মেজাজ, মদ্যপান করে জলযানে ওঠায় নিষেধাজ্ঞা

বকখালি-কুলতলি-ডায়মন্ডহারবারে পিকনিকের মেজাজ, মদ্যপান করে জলযানে ওঠায় নিষেধাজ্ঞা
  • ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বারুইপুর ও কাকদ্বীপ: বড়দিনে বকখালি, কুলতলি থেকে শুরু করে ডায়মন্ড হারবারে পিকনিকের ভরপুর আমেজ। তবে আকাশের মুখ ভার। যে কেনও সময় বৃষ্টি আসতে পারে বলে আশঙ্কা দানা বেধেছিল। আবার ছিল মৃদু গরম। ফলে ঘামও হয়েছে। তাই উৎসব পালনের মুডে থাকলেও ঠান্ডা উপভোগ করতে না পেরে হতাশ পর্যটকরা। এদিকে মদ্যপান নিয়ে কড়া অবস্থান পুলিসের। নজরদারি চলেছে দিনভর। বোটগুলিতেও চেকিং চলেছে সর্বক্ষণ। মদ্যপ অবস্থায় পর্যটকদের নদী, সমুদ্রে নামা রুখতে কড়া অবস্থান নিয়েছিল পুলিস। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ভিড় জমেছিল বজবজ, মহেশতলা ও পূজালির নদীর ধারে।
Advertisement
বুধবার সকাল থেকেই কুলতলির কৈখালিতে পর্যটকদের ভিড়। মাতলা নদীর ধারে পিকনিক মুডে মেতে আট থেকে আশি। নদীর পাড়ে কাগজ, শতরঞ্জি বিছিয়ে চলেছে দেদার মজা। চলেছে সেলফির প্রতিযোগিতাও। কেউ রান্নার কাজে ব্যস্ত। ঠান্ডা ছিল না বলে শীত পোশাক খুলে রাখতে হয়েছিল অনেককে। কেউ বোট ভাড়া নিয়ে গিয়েছেন সুন্দরবন ভ্রমণে। জেটি ঘাটে কুলতলি থানার পুলিসের নজরদারি ছিল সবসময়। মদ্যপ অবস্থায় যাতে কোনও পর্যটক বোটে না উঠতে পারেন তার জন্য বোট মালিকদের ডেকে সতর্ক করেছে পুলিস। চলেছে মাইকিংও। 
অন্যদিকে সকাল থেকেই জমজমাট ছিল বকখালি। পর্যটকরা ফাঁকা জায়গা বেছে নিয়ে পিকনিকের আসর বসাতে ব্যস্ত ছিলেন। নিরাপত্তার জন্য পুলিসি ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মত। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা সকাল থেকেই সমুদ্র সৈকতজুড়ে টহলদারি চালিয়েছেন। সমুদ্রে স্নানের সময় বাঁশি বাজিয়ে পর্যটকদের সতর্ক করতেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। তবে মেঘলা আকাশ থাকায় পর্যটকরা সন্ধ্যার আগেই বাড়ির দিকে রওনা হয়ে যান। বকখালির হোটেলগুলিতে ষাট শতাংশ রুম বুক হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি মালিকদের। বকখালি-ফ্রেজারগঞ্জ হোটেল ওয়েলফেয়ারের সহ সম্পাদক বাসুদেব কুইতি বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার বকখালিতে ভিড় কম হয়েছে।’ এদিকে এদিন মৌসুনি পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় থাকলেও বহু পর্যটককে ফিরে যেতে হয়েছে। কারণ পচা মাছের জন্য পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের কেল্লা এলাকায় ভিড় থাকলেও কুয়াশায় তা ঢাকা ছিল সারাদিন।
সম্পর্কিত সংবাদ