


তিরুবন্তপুরম: আরও পাঁচ রাজ্যের মতো ভোটের বাদ্যি বেজেছে ‘ঈশ্বরের আপন দেশ’ কেরলেও। বাম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ, কংগ্রেসের ইউডিএফ, নাকি বিজেপির এনডিএ জোট? ভোট ময়দানে কে কাকে টক্কর দেবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে তিরুবনন্তপুরমের কাজহাক্কুত্তাম আসন নিয়ে। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী বিদেশ মন্ত্রকের প্রাক্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী ভি মুরলীধরণ। বামেদের হয়ে ভোটে লড়ছেন বিদায়ী বিধায়ক কাদাকামপল্লী সুরেন্দ্রন।
ভোট ঘোষণার আগে থেকেই কাজহাক্কুত্তামের মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন মুরলীধরণ। জোর কদমে চলছে প্রচার ও জন সংযোগ। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে এই আসনে ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। ২০২১ সালেও এনডিএ প্রার্থী এই আসনে পেয়েছিলেন ৪০ শতাংশের বেশি ভোট। ফলে এই আসনে জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন গেরুয়া শিবিরের ভোট কুশলীরা।
তবে সেই জয় মোটেও সহজ হবে না। বাম প্রার্থী সুরেন্দ্রন এই আসন থেকে তিনবার বিধানসভায় গিয়েছেন। এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তাও প্রশ্নাতীত। তবে প্রাক্তন দেবস্বমমন্ত্রী সুরেন্দ্রনের বিরুদ্ধে শবরীমালার সোনা চুরির ঘটনাকে হাতিয়ার করেছে গেরুয়া শিবির। ওই মামলায় সুরেন্দ্রনকে ইতিমধ্যেই জেরা
করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। পাশাপাশি এলাকায় পানীয়
জলের সমস্যাকেও ইস্যু করছে গেরুয়া শিবির।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে সুরেন্দ্রন বলেছেন, ‘আমার বিধানসভা এলাকার মানুষ জানেন শবরীমালার ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। বিজেপির ইস্যু ভোট ময়দানে কোনও কাজেই আসবে না।’ ২০০৬ সালে এই আসন থেকে জিতেছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। ২০২৬ সালে সেই ফলের পুনরাবৃত্তি চায় হাত শিবির। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না হলেও ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা টি শরৎচন্দ্র প্রসাদ। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি নিয়েই প্রচার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনিও।