


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটের প্রচারের আগেই নেমেছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। গত ১৬ মার্চ আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে বামফ্রন্টের প্রথম দফার তালিকা প্রকাশ করার পরই পথে নেমেছিলেন বিমানবাবু। যাদবপুরে মিছিলে নেমেছিলেন তিনি। এবার সেই যাদবপুরে কর্মিসভা করতেও যাচ্ছেন বর্ষীয়ান এই বাম নেতা। আজ, বুধবার নিরঞ্জন সদনে কর্মিসভায় যোগ দেবেন তিনি।
বয়স হয়ে গেলেও বিমানবাবু এখনো পার্টির সাংগঠনিক বিষয়ে খবরাখবর রাখেন। বামফ্রন্টের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়েও তাঁর মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরিক দল সিপিআইয়ের এক নেতার কথায়, বিমানবাবু আমাদের পার্টির জেলায় সংগঠন করা তরুণ নেতাদের নাম ধরে খবরাখবর নিয়ে থাকেন। সেই ব্যক্তি প্রার্থী হচ্ছেন কি না খবর নেন। শুধু শরিক দল নয়, বামফ্রন্ট-বহির্ভূত যেসব সহযোগী দল এবার বামফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যেমন সিপিআই (এমএল) লিবারেশন, আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতার বৈঠকগুলোতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে থাকেন। যদিও এর মাঝেই বামফ্রন্টের অন্দরে আসন বোঝাপড়া নিয়ে মতান্তর দেখা গিয়েছে। এই বিষয়ে সোমবার বিমানবাবু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, ‘বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে মিল-অমিলের মাধ্যমে যেটুকু অমিল ধরা পড়ছে। তা পরে মিল হয়ে যাবে।’ মিছিলে হাঁটার পর এবার যাদবপুরের কর্মিসভাতেও অংশ নিতে চলেছেন বিমানবাবু। শুধুই কি যাদবপুর নাকি উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সমর্থনে কর্মিসভাতেও তিনি অংশ নেবেন? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যায়নি।
যাদবপুরের এক স্থানীয় সিপিএম নেতার কথায়, ‘কর্মিসভায় অংশ নেবেন বিমান বসু। তাঁর কথা তো সবসময় কর্মী-সমর্থকদের চাঙা করবে। আমাদের বিধানসভা থেকেই বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান কর্মিসভা শুরু করছেন, এটাও ভালো বিষয়।’ অন্যদিকে, ভোটের সময় সিপিএমের সর্বভারতীয় নেতৃত্বও রাজ্যে প্রচারে আসেন। এবারও বৃন্দা কারাত, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার আসার কথা রয়েছে। -ফাইল চিত্র