সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় ম্যারাথন বৈঠকেও কালচিনির বন্ধ দলসিংপাড়া চা বাগান খোলার বিষয়ে কোনও সমাধান সূত্র বের হল না। বৈঠকে মালিকপক্ষ চেয়েছিল আগে বাগান খুলুক। তারপর ধীরে ধীরে শ্রমিকদের দুর্গাপুজোর বকেয়া বোনাস ও মজুরি দেওয়া নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিন্তু শ্রমিকপক্ষ বা শ্রমিক সংগঠনগুলি এই শর্তে রাজি হয়নি। ফলে এদিনের বৈঠক ভেস্তে যায়।
Advertisement
শ্রমদপ্তরের বীরপাড়া সার্কেলের সহকারী শ্রম কমিশনার অমিত দাস বলেন, দলসিংপাড়া চা বাগান খোলা নিয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি। ফলে বৈঠক সফল হয়নি। তবে দ্রুত ফের বৈঠকের দিন ঠিক করা হবে। আমরা আশা ছাড়ছি না।
২০২৩ সালের অক্টোবরে বন্ধ হয়েছিল দলসিংপাড়া। দু’বছর পুজো বোনাস না মেলায় শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বন্ধ হয় কালচিনির দলসিংপাড়া। শ্রমিকদের মজুরিও বকেয়া ছিল। বাগানটিতে শ্রমিক সংখ্যা ২২৫০। তবে বাগান বন্ধ থাকলেও, শ্রমিকদের প্রতি মাসে রাজ্য সরকারের ফাউলাইয়ের অনুদানের টাকা মিলছে। এদিন বৈঠকে তৃণমূল ছাড়াও বিজেপির চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার খবর বাগানে পৌঁছতেই শ্রমিকদের মধ্যে হতাশা নেমে আসে। কেন বৈঠক সফল হল না তা নিয়ে জটলা করে শ্রমিকদের মধ্যে দিনভর সেই চর্চা শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, বৈঠকে মালিকপক্ষ শর্ত দেয় আগে বাগান খুলুক। তারপর ধীরে ধীরে শ্রমিকদের বকেয়া দাবিদাওয়া নিয়ে ভাবা হবে। কিন্তু এই শর্ত আমাদের পক্ষে মানা সম্ভব ছিল না। তবে বন্ধ বাগানটি খোলার বিষয়ে আমরা এখনও আশাবাদী।
এদিকে, বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার রিপোর্ট এদিনই জেলা থেকে শ্রমদপ্তর তাদের শিলিগুড়ি অ্যাডিশনাল লেবার কমিশনারের অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফের কবে বৈঠক হবে শ্রমিকরা এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে বন্ধ হয়েছিল দলসিংপাড়া। দু’বছর পুজো বোনাস না মেলায় শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বন্ধ হয় কালচিনির দলসিংপাড়া। শ্রমিকদের মজুরিও বকেয়া ছিল। বাগানটিতে শ্রমিক সংখ্যা ২২৫০। তবে বাগান বন্ধ থাকলেও, শ্রমিকদের প্রতি মাসে রাজ্য সরকারের ফাউলাইয়ের অনুদানের টাকা মিলছে। এদিন বৈঠকে তৃণমূল ছাড়াও বিজেপির চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার খবর বাগানে পৌঁছতেই শ্রমিকদের মধ্যে হতাশা নেমে আসে। কেন বৈঠক সফল হল না তা নিয়ে জটলা করে শ্রমিকদের মধ্যে দিনভর সেই চর্চা শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, বৈঠকে মালিকপক্ষ শর্ত দেয় আগে বাগান খুলুক। তারপর ধীরে ধীরে শ্রমিকদের বকেয়া দাবিদাওয়া নিয়ে ভাবা হবে। কিন্তু এই শর্ত আমাদের পক্ষে মানা সম্ভব ছিল না। তবে বন্ধ বাগানটি খোলার বিষয়ে আমরা এখনও আশাবাদী।
এদিকে, বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার রিপোর্ট এদিনই জেলা থেকে শ্রমদপ্তর তাদের শিলিগুড়ি অ্যাডিশনাল লেবার কমিশনারের অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফের কবে বৈঠক হবে শ্রমিকরা এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে।



