ভারতের ঐতিহ্যবাহী রেল স্টেশনগুলির মধ্যে অন্যতম মালদহের সিঙ্গাবাদ। যা ‘ভারতের শেষ স্টেশন’ নামেও পরিচিত। কারণ ভারতের এই স্টেশনের পরেই ট্রেন বাংলাদেশে প্রবেশ করে। স্বাধীনতা আন্দোলনের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই স্টেশনের সঙ্গে।
Advertisement
বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর পঞ্চায়েত এলাকায় স্টেশনটি নির্মিত হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে। সেই সময়ে এটাই ছিল রেলপথে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান রুট। তখন কলকাতা থেকে বাংলাদেশের গোদাবাড়ি, রহনপুর হয়ে সিঙ্গাবাদ স্টেশনের উপর দিয়ে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই রুট। ১৮৭৮ সালে সিঙ্গাবাদ স্টেশন দিয়েই দার্জিলিং মেল, কাটিহার প্যাসেঞ্জার সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন চলাচল করত। পরবর্তীতে দেশভাগের কারণে বিকল্প রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছিল।
এই স্টেশন থেকে তৎকালীন স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত থাকা বিপ্লবীরা ট্রেনে যাতায়াতও করতেন। অবিভক্ত ভারতের নোয়াখালি (বর্তমানে বাংলাদেশে) এলাকায় একবার হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় মহাত্মা গান্ধী এই সিঙ্গাবাদ স্টেশনের উপর দিয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। ১৯৩৯ সালে মালদহে এক কৃষক সম্মেলনে যোগ দিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এই স্টেশন দিয়েই মালদহে আসেন। আবার ঢাকায় গিয়েছিলেন এই স্টেশন হয়েই। ক্রমে ক্রমে আরও মাত্রা বাড়ে আন্দোলনের। ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে দেশবাসী। সেই সময় এই স্টেশনে আগুন লাগিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই স্টেশন দিয়ে বর্তমানে শুধু মালগাড়ি চলাচল করে। প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে পণ্য সামগ্রী আমদানি-রপ্তানির জন্য। তবে খুব শীঘ্রই যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়ার আশা রয়েছে বলে মত বাসিন্দাদের। কারণ, সরকার দ্রুত রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এই স্টেশন থেকে তৎকালীন স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত থাকা বিপ্লবীরা ট্রেনে যাতায়াতও করতেন। অবিভক্ত ভারতের নোয়াখালি (বর্তমানে বাংলাদেশে) এলাকায় একবার হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় মহাত্মা গান্ধী এই সিঙ্গাবাদ স্টেশনের উপর দিয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। ১৯৩৯ সালে মালদহে এক কৃষক সম্মেলনে যোগ দিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এই স্টেশন দিয়েই মালদহে আসেন। আবার ঢাকায় গিয়েছিলেন এই স্টেশন হয়েই। ক্রমে ক্রমে আরও মাত্রা বাড়ে আন্দোলনের। ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে দেশবাসী। সেই সময় এই স্টেশনে আগুন লাগিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই স্টেশন দিয়ে বর্তমানে শুধু মালগাড়ি চলাচল করে। প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে পণ্য সামগ্রী আমদানি-রপ্তানির জন্য। তবে খুব শীঘ্রই যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়ার আশা রয়েছে বলে মত বাসিন্দাদের। কারণ, সরকার দ্রুত রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।



