নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি ফোনেই বদলে গেল চিত্রটা। পুলিসের জালে ধরা পড়ল মূল চক্রী। বিহারে খুন ও খুনের চেষ্টার মামলায় জামিনের শর্ত খেলাপ করায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। সুশান্ত ঘোষকে নিকেশ করার পরিকল্পনার মূল চক্রী মহম্মদ আদিলকে আবুধাবিতে ফোন করে এই কথা বলেছিলেন তার আইনজীবী। তাই হাজিরা দিতে সে তড়িঘড়ি কলকাতা হয়ে পাটনা যেতে চেয়েছিল। সেই ফেরাই কাল হল বিহারের কুখ্যাত ডন পাপ্পু চৌধুরীর গ্যাংয়ের সদস্যের। একইসঙ্গে ভুয়ো নথির বিনিময়ে যে দালাল তাকে কলকাতা থেকে পাসপোর্ট বানিয়ে দিয়েছিল, তাকেও চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাসপোর্ট নম্বরের সূত্র ধরে নথি যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকা অফিসারের নামও হাতে এসেছে তদন্তকারীদের।
Advertisement
আদিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, বহুদিন ধরেই গুলশান কলোনিতে সে যাতায়াত করছে। বিহারে অপরাধ করে পালিয়ে এসে গুলজারের কাছে সে আশ্রয় নিত। তার বিরুদ্ধে বিহারের জামুইতে খুন ও ফুলওয়ার শরিফে খুনের চেষ্টার মামলা ঝুলে রয়েছে। এই দুই মামলায় সে শর্তসাপেক্ষে জামিনে ছিল। তদন্তে উঠে আসছে, তার নিজস্ব শার্প শ্যুটার গ্যাং রয়েছে। তাদের সে প্রশিক্ষণ দেয়। ডন পাপ্পুর নির্দেশমতো এই শ্যুটারদের বিভিন্ন রাজ্যে অপারেশনে পাঠাচ্ছে। সেখানে কাজ মেটানোর পর তারাও গুলজারের কাছে এসে গা ঢাকা দিচ্ছে। সেফ শেল্টার হিসেবে গুলশান কলোনির কয়েকটি ঘর ভাড়া নিয়েছিল অভিযুক্ত। আদিল তদম্তকারীদের জানিয়েছে, বিহার থেকে আর্মস গুলজারের কাছে পাঠাত। তার মাধ্যমেই তা পৌঁছত শহরের বিভিন্ন দুষ্কৃতীর হাতে। কলকাতার বেশ কয়েকজন তার কাছ থেকে আর্মস চালানোর তালিম নিয়েছে। বিহারে তার নামে মামলা থাকায় পাসপোর্ট হচ্ছিল না। গুলজারকে সে নির্দেশ দেয়, কলকাতা থেকে পাসপোর্ট করিয়ে দিতে হবে। গুলশন কলোনির একটি ফ্ল্যাটের পাকাপাকি বাসিন্দা দেখানো হয়েছিল আদিলকে। বিভিন্ন জাল কাগজ তৈরি করে দালাল মারফত এই পাসপোর্ট বানানো হয় বলে জানা যাচ্ছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, আদিলের এক কাকা আবুধাবিতে থাকে। এর আগেও বিভিন্ন অপরাধ করে সে সেখানে কিছুদিন কাটিয়ে দেশে ফিরেছে। সুশান্তকে নিকেশের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর সে বিদেশে কাকার কাছে চলে গিয়েছিল। সে ইলেকট্রিকাল সামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিল। জামিনের শর্ত না মানায় আইনজীবী তার কাকাকে ফোন করে জানান, আদিলের নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। তাড়াতাড়ি আদালতে হাজিরা না দিলে জেলে যেতে হবে আদিলকে। জেলযাত্রার ভয়ে সে আবুধাবি থেকে দেশে ফিরতেই গ্রেপ্তার হয়ে যায়।
তদন্তে উঠে এসেছে, আদিলের এক কাকা আবুধাবিতে থাকে। এর আগেও বিভিন্ন অপরাধ করে সে সেখানে কিছুদিন কাটিয়ে দেশে ফিরেছে। সুশান্তকে নিকেশের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর সে বিদেশে কাকার কাছে চলে গিয়েছিল। সে ইলেকট্রিকাল সামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিল। জামিনের শর্ত না মানায় আইনজীবী তার কাকাকে ফোন করে জানান, আদিলের নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। তাড়াতাড়ি আদালতে হাজিরা না দিলে জেলে যেতে হবে আদিলকে। জেলযাত্রার ভয়ে সে আবুধাবি থেকে দেশে ফিরতেই গ্রেপ্তার হয়ে যায়।



