সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া : বাড়ির ছাদে আছে একটি জলের ট্যাঙ্ক, আরেকটি নীচে। এক ঝলক দেখলে মনে হবে, নীচের ট্যাঙ্কে জল জমা করে সেই জল পাম্পের মাধ্যমে উপরের ট্যাঙ্কে তোলা হচ্ছে। যদিও নীচের ট্যাঙ্কে তালা মারা। সেটা দেখেই সন্দেহ হয় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্তাদের। এরপর বাড়ির মালিককে ডেকে ট্যাঙ্ক খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তাঁদের। দেখা যায়, নীচের ট্যাঙ্কে জল জমা হচ্ছে না। পাম্পের লাইন ট্যাঙ্কের ভিতর দিয়ে জল সরবরাহের মূল পাইপের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে। এভাবেই পাম্প দিয়ে জল সরাসরি উপরের ট্যাঙ্কে তোলা হচ্ছে। যা অবৈধ। বুধবার বিষয়টি জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্তাদের নজরে আসতেই শুধুমাত্র পানীয় জলের জন্য একটি লাইন রেখে দিয়ে অবৈধ সংযোগ কেটে দেন তাঁরা।
Advertisement
সপ্তাহ খানেক আগে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। আর এরপরেই জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্তারা তদন্তে নেমে অবৈধভাবে পানীয় জলের সংযোগের বিষয়ে জানতে পারেন। ইতিমধ্যে দপ্তরের পক্ষ থেকে পুলিসে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। আর সেইমতো বুধবার বাগনান ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির খালোড় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পুলিস, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্তাদের নিয়ে অভিযানে নামে বাগনান ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ সমীর সামন্ত। প্রশাসন সূত্রে খবর, অভিযানে বেআইনিভাবে সংযোগ নেওয়ার অভিযোগে সাতজন বাসিন্দার শুধুমাত্র একটি লাইন রেখে বাকি অবৈধ লাইন কেটে দেওয়া হয়।
সমীর সামন্ত জানান, বাড়িতে অবৈধভাবে পানীয় জলের সংযোগ নেওয়ার জন্য সাতজনকে ধরা হয়েছে। তাঁদের লাইন কাটা হয়েছে। বাগনান ১ নং ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই অভিযান চালানো হবে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন পঞ্চায়েত সমিতি এবং ব্লক প্রশাসনকে এই বিষয়ের উপর নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সমীর সামন্ত জানান, বাড়িতে অবৈধভাবে পানীয় জলের সংযোগ নেওয়ার জন্য সাতজনকে ধরা হয়েছে। তাঁদের লাইন কাটা হয়েছে। বাগনান ১ নং ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই অভিযান চালানো হবে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন পঞ্চায়েত সমিতি এবং ব্লক প্রশাসনকে এই বিষয়ের উপর নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।



