নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বদলে ফেলা হচ্ছে যন্ত্রপাতি। নতুন মেশিনের জন্য বরাত দেওয়া হয়েছে নতুন একটি সংস্থাকে। নতুন বছর আধুনিক রূপে সেজে উঠতে চলেছে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সিটি স্ক্যান ও ডায়ালিসিস ইউনিট। তৈরি হচ্ছে আধুনিক মানের সেন্ট্রাল কিচেনও।
Advertisement
এ হাসপাতালে গত বছর আগস্ট থেকে ক্রিটিকাল কেয়ার ব্লক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এসএন দাস বিল্ডিং ও নিউ বিল্ডিংয়ের মাঝের অংশে হচ্ছে ১০০ শয্যার সিসিবি। সাততলা ভবনের প্রথম চারতলায় থাকবে ক্রিটিকাল কেয়ার ব্লক। উপরের তিনটি তলাজুড়ে তৈরি হবে ডিস্ট্রিক্ট ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরি। মোট প্রায় ৭০ কোটি টাকার প্রকল্প। তার অংশ হিসেবে হাসপাতালের সিটি স্ক্যান ও ডায়ালিসিস ইউনিটকে অত্যাধুনিক করার পরিকল্পনা আগেই হয়েছিল। জানা গিয়েছে, সিটি স্ক্যান ও ডায়ালিসিস ইউনিটের দায়িত্ব সামলানোর জন্য নতুন একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর এপ্রিলের মধ্যে দুই ইউনিটেই আধুনিক মানের মেশিন বসবে। হাসপাতালের সুপার ডাঃ নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আধুনিক মেশিন বসানোর পর পরিষেবার মান বাড়বে। নতুন বছরের শুরুতেই মেশিন বসানো হবে।’
প্রসঙ্গত ২০১০ সাল থেকে হাওড়া জেলা হাসপাতালের ভিতর পিপিপি মডেলে চলছে সিটি স্ক্যান সেন্টার। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে দু’বছরের জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিটি স্ক্যান সেন্টার চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে আরও দু’বছরের জন্য অর্থাৎ ২০১৪ সাল পর্যন্ত সে মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপর একাধিকবার টেন্ডারের তারিখ ঘোষণা হওয়ার পরও নানা কারণে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তারপর কোনও সংস্থাকে গত ১০ বছর সিটি স্ক্যান সেন্টারের বরাত দেওয়া হয়নি। বছর কয়েক আগে বেসরকারি সংস্থাটির সিটি স্ক্যান মেশিনের মডেলটিকে পুরনো বলে ঘোষণা করে স্বাস্থ্যদপ্তর। পাশাপাশি সিটি স্ক্যান সেন্টারের মতোই ডায়ালিসিস ইউনিটেও বর্তমানে পুরনো আমলের মেশিন দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হাসপাতালের যে অংশে ক্রিটিকাল কেয়ার ব্লক তৈরি হচ্ছে, সেখানে এতদিন সেন্ট্রাল কিচেন চলত। তা ভেঙে এবার আধুনিক মানের একটি কিচেন তৈরি হচ্ছে। ইনডোর বিভাগে রোগীর সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। নয়া কিচেনে একসঙ্গে বহু রোগীর খাবার তৈরি সম্ভব। সুপার বলেন, ‘নতুন কিচেনে সবসময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগের তুলনায় এখন বেশি জায়গা থাকবে। ফলে রান্নার কাজে যুক্ত কর্মীদের সুবিধা হবে।’
প্রসঙ্গত ২০১০ সাল থেকে হাওড়া জেলা হাসপাতালের ভিতর পিপিপি মডেলে চলছে সিটি স্ক্যান সেন্টার। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে দু’বছরের জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিটি স্ক্যান সেন্টার চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে আরও দু’বছরের জন্য অর্থাৎ ২০১৪ সাল পর্যন্ত সে মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপর একাধিকবার টেন্ডারের তারিখ ঘোষণা হওয়ার পরও নানা কারণে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তারপর কোনও সংস্থাকে গত ১০ বছর সিটি স্ক্যান সেন্টারের বরাত দেওয়া হয়নি। বছর কয়েক আগে বেসরকারি সংস্থাটির সিটি স্ক্যান মেশিনের মডেলটিকে পুরনো বলে ঘোষণা করে স্বাস্থ্যদপ্তর। পাশাপাশি সিটি স্ক্যান সেন্টারের মতোই ডায়ালিসিস ইউনিটেও বর্তমানে পুরনো আমলের মেশিন দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হাসপাতালের যে অংশে ক্রিটিকাল কেয়ার ব্লক তৈরি হচ্ছে, সেখানে এতদিন সেন্ট্রাল কিচেন চলত। তা ভেঙে এবার আধুনিক মানের একটি কিচেন তৈরি হচ্ছে। ইনডোর বিভাগে রোগীর সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। নয়া কিচেনে একসঙ্গে বহু রোগীর খাবার তৈরি সম্ভব। সুপার বলেন, ‘নতুন কিচেনে সবসময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগের তুলনায় এখন বেশি জায়গা থাকবে। ফলে রান্নার কাজে যুক্ত কর্মীদের সুবিধা হবে।’



