নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিয়ালদহ আদালতের কড়া ভর্ৎসনার পর শনিবার খোরপোশ বাবদ কুড়ি হাজার টাকা বাবাকে মিটিয়ে দিলেন ছেলে। দেরি হওয়ার কারণে ছেলে সুমন সেন বিচারকের কাছে ক্ষমাও চাইলেন। তাঁকে সর্তক করে বিচারক বলেছেন, ‘প্রতিমাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে খোরপোশের টাকা দিতে হবে। না হলে কড়া পদক্ষেপ নেবে আদালত। টাকা না পেলে আপনার বাবা খাবারদাবার, ওষুধপত্র কিনতে পারবেন না। তাই প্রতি মাসে টাকা পাওয়াটা ওঁর পক্ষে অত্যন্ত জরুরি।’ সুমন বলেছেন, ‘কোর্টের আদেশ আর অমান্য হবে না।’
Advertisement
বিচারক সুমনবাবুকে এদিন বলেছেন, ‘বৃদ্ধ বাবা‑মাকে অবজ্ঞা করার পরিণতি ভালো হয় না। তাঁরা আপনাকে কোলেপিঠে মানুষ করলেন, বড় করলেন অথচ শেষবয়সে এসে তাঁরাই অবজ্ঞার শিকার হলেন! এ কখনও কাম্য নয়। আপনি যেমন আচরণ করবেন তেমনই আপনাকেও সেই ধরনের আচরণের মধ্যে পড়তে হবে।’ সুমন সেন এরপর একটি কথাও বলেননি। এজলাসে মাথা নিচু করে ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জানুয়ারিতে টালার বেলগাছিয়া রোডের বাসিন্দা শম্ভু সেন নিজের ছেলের বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। পিতার অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে ছেলে‑বউমা থাকেন। অথচ তাঁকে ঠিকমতো দেখাশোনা করেন না। অসুস্থ হলেও দেখেন না। তাই বাধ্য হয়ে তিনি মানিকতলার মেয়ে‑জামাইয়ের কাছে গিয়ে ওঠেন। ছেলের টানা অবহেলার কারণে বাধ্য হয়ে খোরপোশ পেতে মামলা করেন। আদালত প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে খোরপোশের মূল মামলার বিচার এখনও বকেয়া রয়েছে। সুমন সেন এদিন বলেন, ‘মামলা এখনও বিচারাধীন। তাই আমি কোনও মন্তব্য করব না।’
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জানুয়ারিতে টালার বেলগাছিয়া রোডের বাসিন্দা শম্ভু সেন নিজের ছেলের বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। পিতার অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে ছেলে‑বউমা থাকেন। অথচ তাঁকে ঠিকমতো দেখাশোনা করেন না। অসুস্থ হলেও দেখেন না। তাই বাধ্য হয়ে তিনি মানিকতলার মেয়ে‑জামাইয়ের কাছে গিয়ে ওঠেন। ছেলের টানা অবহেলার কারণে বাধ্য হয়ে খোরপোশ পেতে মামলা করেন। আদালত প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে খোরপোশের মূল মামলার বিচার এখনও বকেয়া রয়েছে। সুমন সেন এদিন বলেন, ‘মামলা এখনও বিচারাধীন। তাই আমি কোনও মন্তব্য করব না।’



