নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকঘরের স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলি আরও জনপ্রিয় করতে বছরভর হুগলি জেলার নানা প্রান্তে প্রচার চালিয়েছিল রাজ্য অর্থদপ্তরের আওতায় থাকা স্বল্প সঞ্চয় বিভাগ। বছরের শেষ দিনও সেই সচেতনতামূলক প্রচার চলল ব্যান্ডেলে। মঙ্গলবার ব্যান্ডেল চার্চ সংলগ্ন এলাকায় প্রচারপর্বে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলার স্বল্প সঞ্চয় দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর ডাঃ দীপান্বিতা পাত্র সহ অন্যান্য কর্মী ও আধিকারিকরা। এছাড়াও প্রচারপর্বে অংশ নেন হুগলির পোস্টাল এজেন্ট ও পোস্ট মাস্টারদের একাংশ।
Advertisement
দপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল, হরিপাল, ধনেখালি সহ জেলার ব্লকগুলির প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে লাগাতারভাবে প্রচার চালানো হয়েছে সারাবছর ধরে। তাতে যথেষ্ট ভালো সাড়াও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন দপ্তরের কর্মীরা। বাদ রাখা হয়নি পুরসভার আওতায় থাকা এলাকাগুলিকেও। উত্তরপাড়া, কোন্নগর, শ্রীরামপুর, শেওড়াফুলি, চুঁচুড়ার সঙ্গেই চন্দননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এলাকায় প্রচার চালানো হয়। কখনও সুসজ্জিত ট্যাবলো, কখনও পথনাটিকা, আবার কখনও বাউলগানের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। জনবহুল এলাকাগুলিতে বিলি করা হয় লিফলেট। স্বল্প সঞ্চয় দপ্তরের কর্তাদের কথায়, সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা যাতে কোনওভাবে চিটফান্ডের খপ্পরে না পড়ে, বা তা যাতে সুরক্ষিত থাকে, তার জন্যই এই প্রচার। তার ফলও ফলেছে হাতেনাতে। চলতি অর্থবর্ষের জন্য জেলায় যে স্বল্প সঞ্চয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল, তার ৭০ শতাংশ এরই মধ্যে অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন দপ্তরের কর্তারা। হাতে তিন মাস সময় আছে। ফলে আরও ভালো ফলের আশা করছেন তাঁরা। কারণ জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়কালে ডাকঘরের সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগ বাড়ে। আয়কর বাঁচাতেও অনেকে এই সময় লগ্নি করেন। দপ্তরের কর্তাদের কথায়, আগামী তিন মাসে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যেহেতু আগের তুলনায় এখন সুদের হার ভালো, তাই সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পগুলিতে লগ্নি করার বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।



