সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: এটি ব্লক জনস্বাস্থ্য কেন্দ্র। বছর খানেক আগে শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকে কমলপুর গ্রামীণ হাসপাতালের উল্টোদিকে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দোতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে ভবনের সীমানা পাঁচিল নির্মাণের পাশাপাশি একটি সাউন্ডপ্রুফ জেনারেটর বসানো হয়। কিন্তু সেই নতুন ভবন তৈরি হয়ে পড়ে থাকলেও এখনও চালু করা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, শুরু থেকেই নতুন ভবনটি তালাবন্ধ অবস্থায় হয়ে পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় চারদিকে ময়লার আস্তরণ জমেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, কিছু সমস্যার কারণে এটি চালু করা যায়নি। খুব শীঘ্রই এটি চালু হয়ে যাবে।
Advertisement
সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে বছরখানেক আগে শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকের কমলপুর গ্রামীণ হাসপাতালের উল্টো দিকে ব্লক জনস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ঠিক হয়, হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা মানুষজন এই প্রশাসনিক ভবন থেকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবেন। কিন্তু ভবনটি চালু না হওয়ায় এখানে প্রশাসনিক কাজকর্ম এখনও শুরুই করা যায়নি। ফলে এখানে ঠিক কী কাজ হবে, তা জানেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের কেউ বলছেন এটি নতুন হাসপাতাল হবে, কেউ আবার বলছেন রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে ইত্যাদি হবে।
এ প্রসঙ্গে শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ প্রতীক আচার্য বলেন, এখানে চিকিৎসা নয়, প্রশাসনিক কাজকর্ম হবে। বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে সমস্যার কারণে এটি এতদিন চালু করা যাচ্ছিল না। এখন সমস্যা মিটে গিয়েছে। আগামী একমাসের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে। এ বিষয়ে হাওড়া জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ জুলফিকার আলি মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে কিছু জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।
এ প্রসঙ্গে শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ প্রতীক আচার্য বলেন, এখানে চিকিৎসা নয়, প্রশাসনিক কাজকর্ম হবে। বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে সমস্যার কারণে এটি এতদিন চালু করা যাচ্ছিল না। এখন সমস্যা মিটে গিয়েছে। আগামী একমাসের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে। এ বিষয়ে হাওড়া জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ জুলফিকার আলি মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে কিছু জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।



