


নয়াদিল্লি: ভারতের প্রত্যাঘাতে জেরবার অবস্থা পাকিস্তানের। এরমধ্যে গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত দশা প্রতিবেশী দেশের। বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-র একের পর হানায় নাকানি-চোবানি খাচ্ছে ইসলামাবাদ। রবিবার বিএলএ’র মুখপাত্র জায়ান্দ বালোচ জানিয়েছেন, পাক সেনার বিরুদ্ধে অপারেশন হেরফ চলছে। আপাতত বালুচিস্তানের ৫১টি স্থানে অন্তত ৭১টি হামলা চালানো হয়েছে। বিএলএ নিশানা করেছে পাকিস্তানি সেনার কনভয়, আউটপোস্ট, গুপ্তচর ও খনিজ পরিবহণকারী গাড়ি ও আত্মঘাতী স্কোয়াডকে।
ওই মুখপাত্রের দাবি, বালুচিস্তানের কচ শহরের হোসাব এলাকা তাঁদের দখলে চলে এসেছে। হাইওয়েতে নজরদারি চলছে। এছাড়া, লেভি থানা ও নাদ্রা অফিসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বিএলএ’র সদস্যরা। এই দুই জায়গা থেকে সমস্ত অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় নজরদারির সময় সিন্ধে ১৪ জনকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয় বালোচরা। সিন্ধে পাক সেনা কনভয়ে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়। তাতে বেশ কয়েকজন সেনা প্রাণ হারিয়েছে। পাঞ্জগুরের ভিশবুদ এলাকাও দখল করেছে বিদ্রোহীরা। পুলিসের দু’টি গাড়ি আটকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বনিস্তানের মজবুরাবাদ এলাকাতে পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় বালোচ বিদ্রোহীদের। তাতে অন্তত ১৪জন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি। বালোচ মুখপাত্র জানিয়েছেন, বালুচিস্তান ও সিন্ধের সংযোগকারী এন৬৫ সড়ক দীর্ঘক্ষণ আটকে দিয়েছিল বিএলএ। এছাড়া, পাক সেনার কনভয়, ছাউনি লক্ষ্য করেও রকেট ছোড়া হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকেও গুলি চলেছে। তাতে বহু পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি মুখপাত্রের।