নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরাখণ্ডের হোটেলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মৈনাক পালের (৪১) মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তের পর উত্তরাখণ্ডের পুলিস নিশ্চিত হয়েছে, হোটেলের বন্ধ ঘরের মধ্যে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে পরিবারের তরফেও কেউ কোনও বক্তব্য দিতে চাননি।
Advertisement
জানা গিয়েছে, মৈনাকবাবুর পাহাড়ে ঘোরার নেশা ছিল। মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ট্রেকিংয়ে যেতেন। এবারও তিনি দুই বন্ধুর সঙ্গে উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ায় গিয়েছিলেন। তারপর তিনি দুই বন্ধুকে ছেড়ে লালকুয়া থানা এলাকার হোটেলে এসে উঠেছিলেন। শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের পুলিস হোটেলের বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। তাঁর হাতে ও গলায় ছুরির কোপ রয়েছে। মৈনাকবাবু বনহুগলির অভিজাত আবাসনে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তাঁর স্ত্রী শাঁওলি শীল বঙ্গবাসী ইভনিং কলেজের অধ্যাপিকা। তাঁদের ১০ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। সদা হাস্যময় মৈনাকবাবু এভাবে আত্মঘাতী হবেন মানতে পারছেন না পরিচিতরা।



