Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বটানিক গার্ডেনে রাক্ষুসে শালুক, ভেসে থাকছেন পূর্ণবয়স্কও!

জলের উপর ভাসছে বিশাল আকারের শালুক ফুলের পাতা। সেটা এতটাই বিশাল যে, তার উপর দিব্যি বসে থাকতে পারছে পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষ। দৃশ্যটি প্রায় অবিশ্বাস্য হলেও বাস্তব।

বটানিক গার্ডেনে রাক্ষুসে শালুক, ভেসে থাকছেন পূর্ণবয়স্কও!
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: জলের উপর ভাসছে বিশাল আকারের শালুক ফুলের পাতা। সেটা এতটাই বিশাল যে, তার উপর দিব্যি বসে থাকতে পারছে পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষ। দৃশ্যটি প্রায় অবিশ্বাস্য হলেও বাস্তব।

Advertisement

হাওড়ার আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস ইন্ডিয়ান বটানিক গার্ডেনে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দৈত্যাকার এই শালুক পাতা। সে পাতা ৮০ থেকে ১০০ কেজি ওজনের মানুষকে অবলীলায় ভাসিয়ে রাখতে পারে, তার এতটাই ওজনবহন ক্ষমতা। এটির নাম ভিক্টোরিয়া অ্যামাজোনিকা। বটানিক কর্তৃপক্ষ বলে, ভারতবর্ষে এমন উদ্যোগ এই প্রথম নেওয়া হয়েছে।
আমাজনের জঙ্গল থেকে ১৮৫০ সাল নাগাদ এই রাক্ষুসে জলজ উদ্ভিদটি এনে হাওড়ার শিবপুরের বটানিক গার্ডেনে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ২০২০ সালে উমপুন বিপর্যয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাছটি। তারপর উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এবং সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে উদ্যানের বিভিন্ন প্রান্তের ১৬টি জলাশয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি বটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর ডঃ কণাদ দাসের উদ্যোগে শুরু হয়েছে পাতায় ভেসে থাকার অভিনব অ্যাডভেঞ্চার। গত কয়েক দিন উদ্যানের কর্মচারী ও সাধারণ দর্শনার্থীরা এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। বটানিস্ট ডঃ আর সর্বাননের কথায়, ‘বিশাল আকারের পাতা, কাঁটাযুক্ত লম্বা কাণ্ড এবং তুলনায় ছোটো গোলাপি ফুলের জন্যই ভিক্টোরিয়া অ্যামাজোনিকা এতটা আকর্ষণীয়।’
অ্যামাজোনিকার পাতা যাতে ছিঁড়ে বা ভেঙে না যায় তার জন্য উপর ও নীচের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে দু’টি ভাসমান জিনিস। ফুল আসার আগের পর্যায়ে বড়ো আকারের পাতা বেছে চলছে ভাসমান থাকার কাজ। আগামী কয়েক দিন পর্যটকদের জন্য এই সুযোগ থাকবে। বটানিক গার্ডেনের ১ নম্বর গেট থেকে ১০০ মিটারের মতো দূরে জলাশয়ের একটি গভীর অংশে রয়েছে রাক্ষুসে শালুক পাতা। তাতে ভেসে দোল খাওয়া এক অভিনব অভিজ্ঞতা হতে পারে ডাঙার বাসিন্দা মানুষের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ