নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গড়চুমুক, গাদিয়াড়া কিংবা দেউলটি। বছরভর সপ্তাহান্তের ছুটিতে হাওড়ার এই তিন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় থাকে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী আরও বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট শীতের মরশুমে পর্যটকদের কাছে খুব প্রিয়। তবে জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে আধুনিক টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকায় বেশ সমস্যায় পড়তে হয় অনেককে। পর্যটনে জোর দিতে তাই এবার হাওড়া জেলা পরিষদ আটটি পর্যটন কেন্দ্রে আধুনিক মডেল কমিউনিটি টয়লেট তৈরি করবে বলে ঠিক হয়েছে। দ্রুত সেই কাজ শুরু হবে।
Advertisement
দামোদর তীরের গড়চুমুক বেশ কয়েক বছর ধরেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার পর্যটকদের কাছে প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে। সেখানে তৈরি হওয়া মিনি জুতে শীতের সময় ভিড় প্রতিবছরই বাড়ছে। পাশাপাশি হুগলি, হলদি ও রূপনারায়ণ নদীর সংযোগস্থলে গড়ে ওঠা আরেক পর্যটন কেন্দ্র গাদিয়াড়া। এখন প্রি ওয়েডিং ফটোশ্যুটের জন্য হবু দম্পতিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র। জায়গাগুলিতে ঘুরে একদিনেই ফিরে আসার জন্য গাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু শৌচালয় না থাকার জন্য তাঁদের ভীষণ সমস্যায় পড়তে হয়। তাছাড়া নদীতে স্নান করার পর পোশাক পরিবর্তনের জায়গাও না থাকাটা এখানকার আরেকটি বড় সমস্যা। তাই এবার পর্যটকদের জন্য এই কেন্দ্রগুলিতে একটি করে মডেল কমিউনিটি টয়লেট তৈরির উদ্যোগ নিল জেলা পরিষদ। গড়চুমুক ও গাদিয়াড়া ছাড়াও দেউলটির শরৎকুঠি, দামোদর রূপনারায়ণের সঙ্গমে গড়ে ওঠা শর্টকাট চ্যানেলের মতো আটটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে প্রথম পর্যায়ে কমিউনিটি টয়লেটগুলি তৈরি হচ্ছে।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তাপস মাইতি বলেন, একেকটি কমিউনিটি টয়লেট তৈরিতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ হবে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে আরও বেশ কিছু পর্যটন কেন্দ্রে এই ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, কমিউনিটি মডেল টয়লেটগুলিতে আধুনিক শৌচালয় ছাড়াও স্নানের ব্যবস্থা ও চেঞ্জিং রুম বা এনক্লোজার থাকবে। ফলে নদীতে স্নান সেরে সেখানেই পোশাক পরিবর্তন করে নিতে পারবেন পর্যটকরা। এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত রামরাজাতলার বাসিন্দা মৈত্রেয়ী সরকার বলেন, উইকেন্ডের ছুটিতে একদিনে ঘুরে আসতে গাদিয়াড়া আমাদের ভীষণ পছন্দের জায়গা। কিন্তু টয়লেট না থাকার কারণে এতদিন খুব সমস্যায় পড়তে হতো। এবার থেকে নিশ্চিন্তে যাওয়া যাবে।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তাপস মাইতি বলেন, একেকটি কমিউনিটি টয়লেট তৈরিতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ হবে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে আরও বেশ কিছু পর্যটন কেন্দ্রে এই ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, কমিউনিটি মডেল টয়লেটগুলিতে আধুনিক শৌচালয় ছাড়াও স্নানের ব্যবস্থা ও চেঞ্জিং রুম বা এনক্লোজার থাকবে। ফলে নদীতে স্নান সেরে সেখানেই পোশাক পরিবর্তন করে নিতে পারবেন পর্যটকরা। এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত রামরাজাতলার বাসিন্দা মৈত্রেয়ী সরকার বলেন, উইকেন্ডের ছুটিতে একদিনে ঘুরে আসতে গাদিয়াড়া আমাদের ভীষণ পছন্দের জায়গা। কিন্তু টয়লেট না থাকার কারণে এতদিন খুব সমস্যায় পড়তে হতো। এবার থেকে নিশ্চিন্তে যাওয়া যাবে।



