Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অসম পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ফল ‘বাতিল’

২০২৪ সালের কম্বাইন্ড কম্পিটিটিভ এগজামিনেশনের ফল প্রকাশ করেছিল অসম পাবলিক সার্ভিস কমিশন (এপিএসসি)।

ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অসম পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ফল ‘বাতিল’
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: ২০২৪ সালের কম্বাইন্ড কম্পিটিটিভ এগজামিনেশনের ফল প্রকাশ করেছিল অসম পাবলিক সার্ভিস কমিশন (এপিএসসি)। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি বিজ্ঞপ্তিতে ‘অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি’ উল্লেখ করে ফলাফলের চূড়ান্ত তালিকা বাতিল করে দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই কমিশন নতুন তালিকা প্রকাশ করবে। এপিএসসি সচিব চন্দনা মোহন্ত জানান, বিজ্ঞপ্তিতে ত্রুটি ধরা পড়ার পর ফলাফল বাতিল করা হয়েছে। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে অসমজুড়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে।

Advertisement

গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘ফলাফলে ছোট একটা ভুল ছিল। ভুল হয়েছে, কিন্তু কোনো দুর্নীতি হয়নি।’ তিনি আরও জানান, ‘সংরক্ষণ তালিকায় ছোটো ত্রুটি ছিল। মরান এবং মটক সম্প্রদায়ের দু’টি সংরক্ষণ পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এপিএসসি শুধুমাত্র মটক সম্প্রদায়ের জন্য চারটি আসন সংরক্ষণ করেছে। সেই জন্যই ফলাফল বাতিল করা হয়েছে।’
এদিকে, অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের জিরো আওয়ারে বিরোধী তথা এআইইউডিএফ বিধায়ক আশরাফুল হুসেইন এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, এনিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক চলছে। এই ফলাফল বাতিলের পর ২০১৪ সালের এপিএসসি কেলেঙ্কারির ঘটনা ফের রাজ্যবাসীর মনে উঁকি দিচ্ছে।’ এই ফলাফল কেলেঙ্কারির ঘটনায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যাঁরা জড়িত, তাঁদের প্রত্যেকের শাস্তির দাবিও জানান তিনি। অসমের রাইজর দলের বিধায়ক অখিল গগৈ বলেন, ‘বিজেপি ও হিমন্ত বিশ্বশর্মার লোকজনের নাম তালিকায় না থাকার কারণে এপিএসসি তালিকা বাতিল করেছে।’ ফলাফল বাতিলের পর এপিএসসির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি ও সত্র মুক্তি সংগ্রাম সমিতির শতাধিক ছাত্র-কর্মীরা।

সম্পর্কিত সংবাদ