নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কাটিহার এক্সপ্রেসে তবলা শিক্ষক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় খুনে অভিযুক্ত রাহুল জাঠের আরও একটি খুনের ঘটনা সামনে এল। জেল থেকে বেরনোর পর সে যেভাবে একের পর এক খুন করেছে তা দেখে চমকে উঠছেন গুজরাত পুলিসের অফিসাররা। এখনও পর্যন্ত আটটি খুনের কথা স্বীকার করলেও সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন তাঁরা। এদিকে জেল হেফাজতে যেতেই তাকে কলকাতায় আনতে তৎপর হয়েছেন হাওড়া রেল পুলিসের অফিসাররা। দু-একদিনের মধ্যেই স্থানীয় আদালতে তাঁরা আবেদন করছেন বলে খবর।
Advertisement
তবলা শিক্ষক খুনের অভিযোগে রাহুল ধরা পড়ার পর প্রথমে পাঁচটি খুনের কথা জানা যায়। এর মধ্যে চারটি ঘটনাটি হয়েছে ট্রেনের মধ্যে। একটি ঘটনা ছিল স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ধারে। তদন্তকারীরা প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলেন এই সিরিয়াল কিলার আরও খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। সেগুলি হয়েছে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে। জেরায় অভিযুক্ত রাহুল শুরু থেকেই তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালিয়েছে, যাতে পাঁচটির বাইরে আর কোথায় কী করেছে সে তা সামনে না আসে। শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে আরও দুটি খুনের কথা সে স্বীকার করে, অর্থাৎ সাতটি খুনের তথ্য সামনে আসে। এগুলিও সে ঘটিয়েছে ট্রেনের কামরা বা রেল লাইনের ধারে।
গুজরাত পুলিসের তৈরি করা বিশেষ টিম তাতেও থেমে থাকেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ ছিল, আরও কিছু অপরাধ সে করেছে। অভিযুক্তের হাবভাব ও শরীরী ভাষা বলে দিচ্ছিল, সে আরও কিছু অপরাধ গোপন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। টানা জেরায় রাহুল জানায়, সে আরও একটি খুন করেছে। সেটি সে ঘটিয়েছে রেল লাইনের পাশে। কিন্তু কোন স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে এই অপরাধ সে করেছে, সে সম্পর্কে তদন্তকারীদের সে জানায়, এই সংক্রান্ত কোনও কিছুই তার মনে পড়ছে না। সে একাধিকবার ট্রেন বদলেছে ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে থেকেছে। তাই আলাদা করে কোনও স্টেশনের কথা তার মনে নেই। আর এতগুলি খুন সে করেছে যে কোনোটির তারিখ বা ঘটনাস্থল আলাদাভাবে মনে রাখা সম্ভব নয়। যদিও তদন্তকারীদের ব্যাখ্যা, এক্ষেত্রে তাঁদের পরীক্ষা নিচ্ছে অভিযুক্ত। যে সাতটি খুনের কথা জানা গিয়েছে, সেক্ষেত্রেও প্রথমে একই কৌশল নিয়েছিল সে। মোবাইলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে ধরতেই অষ্টম খুনের কথা স্বীকার করে এই সিরিয়াল কিলার। তাদের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাতের মধ্যে জুন মাসে রাহুল এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এটি প্রথম কি না তা জানা যায়নি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই সে পরপর ঘটনা ঘটিয়েছে। সেই কারণে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে জুন থেকে নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রাজ্যে ট্রেনের কামরায় বা রেললাইনে কোনও দেহ মিলেছিল কি না। এই তথ্য এলে সেগুলি সামনে নিয়ে রাহুলকে আবার জেরা করবেন গুজরাত পুলিসের অফিসাররা।
গুজরাত পুলিসের তৈরি করা বিশেষ টিম তাতেও থেমে থাকেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ ছিল, আরও কিছু অপরাধ সে করেছে। অভিযুক্তের হাবভাব ও শরীরী ভাষা বলে দিচ্ছিল, সে আরও কিছু অপরাধ গোপন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। টানা জেরায় রাহুল জানায়, সে আরও একটি খুন করেছে। সেটি সে ঘটিয়েছে রেল লাইনের পাশে। কিন্তু কোন স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে এই অপরাধ সে করেছে, সে সম্পর্কে তদন্তকারীদের সে জানায়, এই সংক্রান্ত কোনও কিছুই তার মনে পড়ছে না। সে একাধিকবার ট্রেন বদলেছে ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে থেকেছে। তাই আলাদা করে কোনও স্টেশনের কথা তার মনে নেই। আর এতগুলি খুন সে করেছে যে কোনোটির তারিখ বা ঘটনাস্থল আলাদাভাবে মনে রাখা সম্ভব নয়। যদিও তদন্তকারীদের ব্যাখ্যা, এক্ষেত্রে তাঁদের পরীক্ষা নিচ্ছে অভিযুক্ত। যে সাতটি খুনের কথা জানা গিয়েছে, সেক্ষেত্রেও প্রথমে একই কৌশল নিয়েছিল সে। মোবাইলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে ধরতেই অষ্টম খুনের কথা স্বীকার করে এই সিরিয়াল কিলার। তাদের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাতের মধ্যে জুন মাসে রাহুল এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এটি প্রথম কি না তা জানা যায়নি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই সে পরপর ঘটনা ঘটিয়েছে। সেই কারণে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে জুন থেকে নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রাজ্যে ট্রেনের কামরায় বা রেললাইনে কোনও দেহ মিলেছিল কি না। এই তথ্য এলে সেগুলি সামনে নিয়ে রাহুলকে আবার জেরা করবেন গুজরাত পুলিসের অফিসাররা।



