Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সমাজকল্যাণ দপ্তরেই পড়ে রয়েছে বার্ধক্য ভাতার কয়েক লক্ষ আবেদন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস অগ্নিমিত্রার

মঙ্গলবার শিশু ও নারী উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব নিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

সমাজকল্যাণ দপ্তরেই পড়ে রয়েছে বার্ধক্য ভাতার কয়েক লক্ষ আবেদন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস অগ্নিমিত্রার
  • ১৩ মে, ২০২৬ ০৯:১৬
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার শিশু ও নারী উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব নিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এদিনই আধিকারিকদের সঙ্গে সৌহার্দ বিনিময় সেরে সরাসরি দপ্তরের কাজ সম্পর্কিত বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে মন্ত্রীকে দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প এবং কাজকর্ম নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার মধ্যে উঠে আসে পড়ে থাকা বার্ধক্য ভাতার আবেদন। তার সংখ্যা কয়েক লক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করেও পূর্বতন সরকারের আমলে বার্ধক্য ভাতা থেকে বঞ্চিত থেকেছেন তাঁরা। সমস্ত তথ্য এবং প্রেজেন্টেশনের নথি খতিয়ে দেখে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।

Advertisement

এদিন দপ্তরের দায়িত্ব নিয়ে নারী সুরক্ষা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী। পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, নারীদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা তাঁদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ফলে তার জন্য যা যা করণীয় সবকিছুই করা হবে। এছাড়া কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে একটি দল হিসাবে কাজ করে অবশ্যই সত্যিকারের পরিবর্তন নিয়ে আসব।’ তবে বর্তমান সরকার বেশি কথার থেকে, বেশি কাজে বিশ্বাসী বলেও প্রথম দিনেই বুঝিয়ে দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। ফলে বেশি বাক্য ব্যয় না করেই আধিকারিকদের নিয়ে কনফারেন্স রুমে চলে যান তিনি। বার্ধক্য ভাতা ছাড়াও এই দপ্তরের অধীনে রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং কন্যাশ্রীর মতো বড়ো প্রকল্প। সোমবার বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো চলতি প্রকল্প বন্ধ হবে না। সেক্ষেত্রে কন্যাশ্রী প্রকল্প চলছে বলেই ধরে নিয়েছে প্রশাসনিক মহল। তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সম্পর্কে মন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন সরকার অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করে সকল মহিলাকে প্রতিমাসে তিন হাজার টাকা দেবে। এই বিষয়ে মন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা (২ কোটি ৬১ লক্ষ) লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁরা সবাই ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার পাবেন। তার পরেও নতুন আবেদন আসে কি না সেটা দেখে নেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু অফিসে বসে দপ্তর চালাতেও নারাজ নতুন মন্ত্রী। এই দপ্তরের অধীনেই রাজ্যজুড়ে চলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। রয়েছে একাধিক বৃদ্ধাশ্রম, ডেস্টিটিউট হোম এবং শহর এলাকার ভবঘুরেদের জন্য থাকার ঠিকানা। ফলে একেবারে জেলায় জেলায় গিয়ে এই সমস্ত হোম এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিদর্শনে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রীর। এদিন প্রকল্প সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি দপ্তরের কর্মীসংখ্যা ও কে কী করেন তারও খোঁজ নেন অগ্নিমিত্রা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ