Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

প্রথমবার ডার্বি হেরেও ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি আন্তোনিও হাবাস

ডার্বি ম্যাচে মোহন বাগানের কাছে হারলেও ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি আন্তোনিও হাবাস। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নিয়ে বিশ্লেষণ। বিস্তারিত পড়ুন।

প্রথমবার ডার্বি হেরেও ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি আন্তোনিও হাবাস
  • ২৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বিষ্ণুর মাইনাস থেকে রামিরেজের ফ্লিক পোস্ট ছুঁয়ে বেরিয়ে যেতেই মাথায় হাত আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের! বুঝতেই পারলেন, দিনটা তাঁর নয়। ইস্ট বেঙ্গল কোচের পদে অভিষেকটা সুখকর হল না অভিজ্ঞ স্প্যানিয়ার্ডের। শনিবার ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগানের কাছে হারল মশাল বাহিনী। সেই সঙ্গে মর্যাদার বড়ো ম্যাচে থামল হাবাসের অপরাজেয় দৌড়। ম্যাচ শেষে স্বভাবসিদ্ধ মেজাজেই চতুর্থ রেফারির কাছে একরাশ অভিযোগ জানাতে দেখা গেল তাঁকে। এমনকি, প্রতিপক্ষ কোচ সৌজন্য বিনিময় করতে এলে তাঁর সঙ্গেও চলল আলোচনা। আসলে হার একেবারেই না-পসন্দ হাবাসের। সেটাও আবার প্রাক্তন দলের কাছে। তবে ম্যাচ হারলেও ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি লাল-হলুদ কোচ। বিশেষত শেষ ১৫ মিনিটে যেভাবে মোহন বাগান রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে আনেন এডমুন্ড-বিষ্ণুরা, তাতে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতেও পারত। ম্যাচ শেষে হাবাস বলেন, ‘এই ফলে মোটেই সন্তুষ্ট নই। তবে ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি। মোহন বাগান প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল তুলে নিয়েছে। অথচ আমরা অন্তত ৭-৮ বার গোল করার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল।’

Advertisement

মাত্র তিনদিনের প্রস্তুতি কখনোই বড়ো ম্যাচ খেলার জন্য যথেষ্ট নয়। দু’দলের সিংহভাগ ফুটবলার এখনও পুরো ম্যাচ ফিট নন। হাবাসের কথাতেও সেটাই ফুটে উঠল। তাঁর মন্তব্য, ‘পরিকল্পনামাফিক অনুশীলন করানোর সময় পাইনি। কয়েকদিন পরে ডার্বি আয়োজন করা হলে ফল কী হত তা অবশ্য আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। তবে এটা বলতে পারি, আমরা আরও লড়াকু ফুটবল উপহার দিতে পারতাম। বিদেশিরা মাত্র একদিন ট্রেনিং করেছে। তা সত্ত্বেও দলের পারফরম্যান্সে আমি গর্বিত।’ ম্যাচের শেষলগ্নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভে দলের পতন আটকান বাগানের দুর্গপ্রহরী বিশাল কাইথ। হাবাসও প্রাক্তন ছাত্রকে প্রশংসায় ভরালেন, ‘মোহন বাগানে থাকাকালীন আমি বিশালকে সই করিয়েছিলাম। বলতে দ্বিধা নেই, বর্তমানে ওই ভারতের সেরা গোলরক্ষক। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিশালই পার্থক্য গড়ে দিল।’
৩১ জুলাই ডুরান্ডের পরবর্তী ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের প্রতিপক্ষ সিআইএসএফ প্রটেক্টর। তার আগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে দিন ছয়েক সময় পাচ্ছেন হাবাস। এই পর্বে দলকে আরও ফিট করে তোলাই লক্ষ্য স্প্যানিশ কোচের। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে নাচো ও এফিয়াং যোগ দিলে শক্তি আরও বাড়বে বলেই আশাবাদী তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ