নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নৈহাটির বড়মা মন্দির কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকবেন না। সেইসঙ্গে গত ১৫ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব পরীক্ষা করা হবে সরকারি কোনো অডিট সংস্থাকে দিয়ে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আর্থিক তছরুপের প্রমাণ মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করা হবে। দুর্নীতি রুখতে এই পদক্ষেপের কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, নৈহাটির এক পরিচিত চিকিৎসককে মাথায় রেখে আগামী ১৫ জুলাই নতুন মন্দির কমিটি গঠন করা হবে। তৈরি হবে পরামর্শদাতা কমিটি। সেই কমিটিতে থাকবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। আর শীর্ষে থাকবেন বিধায়ক।
উল্লেখ্য, বড়মা মন্দির কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ওঠায় সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য এই কমিটির সভাপতি প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়ের ঘাড়ে সমস্ত দায় ঝেড়ে ফেলেছেন। অভিযোগ, টেন্ডার ছাড়াই সমস্ত কাজ হয়েছে। প্রণামির বাক্স চুরির ঘটনাও ঘটেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বড়মার গয়না নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে তাপসবাবু জানিয়েছেন, প্রতি বছরই অডিট করা হত।
এ প্রসঙ্গে নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ ওঠায় বড়মার মন্দির কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য এখন মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। এখানে কোনো ভিআইপি কালচার থাকবে না। মাকে দর্শনের জন্য আলাদা লাইন এবং পুজো দেওয়ার জন্য আলাদা লাইন করা হয়েছে। প্রোটোকল অনুযায়ী যাঁরা ভিআইপি, শুধু তাঁরাই ভিআইপির মর্যাদা পাবেন। বিধায়ক বলেন, মোট ২১ জনকে নিয়ে কমিটি তৈরি হবে।