সংবাদদাতা, লালবাগ: মুর্শিদাবাদের পর্যটনের সার্বিক উন্নয়নে ভাগীরথীর উপর আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজ তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। এবার এই দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছে দিলেন নবগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল। ২০জানুয়ারি লালবাগে নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের মাঠে প্রশাসনিক সভা শেষে ওই ফুটব্রিজের প্রয়োজনীয়তা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন বিধায়ক। কানাইবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
Advertisement
বিধায়ক জানান, ভাগীরথীর দুই পাড়ে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে। বেশিরভাগ পর্যটক পূর্বপাড়ের দর্শনীয় স্থান দেখেই ফিরে যান। নৌকায় চড়তে না চাওয়ায় তাঁরা পশ্চিমপাড়ে আসেন না। ফুটব্রিজটি হলে পশ্চিমপাড়ের পর্যটনও চাঙ্গা হবে। প্রচুর ছেলেমেয়ের কাজের সংস্থান হবে। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, আমরা প্রায় তিন দশক ধরে ফুটব্রিজের দাবি জানিয়ে আসছি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই দাবি পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিধায়ককে সাধুবাদ জানাই।
মুর্শিদাবাদকে দু’ভাগে ভাগ করেছে ভাগীরথী নদী। নদীর পূর্বপাড়ে হাজারদুয়ারি, ইমামবারা, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি, কাটগোলাপ বাগান, মোতিঝিলের মতো নানা পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। পশ্চিমপাড়ে খোশবাগে রয়েছে সিরাজের সমাধি, কিরীটেশ্বরী মন্দির, ডাহাপাড়া ধাম, সিরাজের প্রাসাদ হিরাঝিল, রানী ভবানির রাজরাজেশ্বরী মন্দির, ‘বাংলার বারাণসী’ বড়নগর সহ নানা দর্শনীয় স্থান। কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটক যোগাযোগের অসুবিধার জন্য পূর্বপাড়ের দর্শনীয় স্থান দেখে ফিরে যান। নদী পেরিয়ে পশ্চিম পাড়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।
প্রয়াত আবদুল রওফ খান ২০০৭ সালে নদীর উপর আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজের দাবি তুলে একদশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ভাগীরথীর উপর ওই সেতু হলে নবগ্রাম থানার পলশন্ডা হয়ে অতি সহজেই সড়কপথে উত্তরবঙ্গে পৌঁছনো যাবে। ফলে বহরমপুর যানজটমুক্ত হবে। সেইসঙ্গে নবগ্রামে গড়ে ওঠা সেনাছাউনি থেকে সেনাবাহিনী আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজ হয়ে সহজেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের লালগোলা, ভগবানগোলা, জলঙ্গি, রানিনগরে পৌঁছতে পারবে। ফলে দেশের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত হবে।
খানসাহেবের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তদানীন্তন রাজ্য সরকার সেতুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনবার সমীক্ষাও করেছিল। কিন্তু সেতুটি তৈরি করা হয়নি। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের বিচারে কিরীটেশ্বরী ও বড়নগর দেশের সেরা পর্যটন গ্রাম নির্বাচিত হয়েছে। এরপর থেকে ওই ফুটব্রিজের দাবি জোরালো হয়েছে। কিরীটেশ্বরী মন্দির কমিটির সম্পাদক বাপি দাস বলেন, আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজ হলে মুর্শিদাবাদ শহর থেকে খুব সহজেই এই মন্দিরে পৌঁছনো সম্ভব হবে। ফলে দেশের সেরা পর্যটনগ্রাম কিরীটেশ্বরীতে সহজেই পর্যটকরা পৌঁছতে পারবেন।
মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, আমরা প্রায় তিন দশক ধরে ফুটব্রিজের দাবি জানিয়ে আসছি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই দাবি পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিধায়ককে সাধুবাদ জানাই।
মুর্শিদাবাদকে দু’ভাগে ভাগ করেছে ভাগীরথী নদী। নদীর পূর্বপাড়ে হাজারদুয়ারি, ইমামবারা, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি, কাটগোলাপ বাগান, মোতিঝিলের মতো নানা পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। পশ্চিমপাড়ে খোশবাগে রয়েছে সিরাজের সমাধি, কিরীটেশ্বরী মন্দির, ডাহাপাড়া ধাম, সিরাজের প্রাসাদ হিরাঝিল, রানী ভবানির রাজরাজেশ্বরী মন্দির, ‘বাংলার বারাণসী’ বড়নগর সহ নানা দর্শনীয় স্থান। কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটক যোগাযোগের অসুবিধার জন্য পূর্বপাড়ের দর্শনীয় স্থান দেখে ফিরে যান। নদী পেরিয়ে পশ্চিম পাড়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।
প্রয়াত আবদুল রওফ খান ২০০৭ সালে নদীর উপর আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজের দাবি তুলে একদশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ভাগীরথীর উপর ওই সেতু হলে নবগ্রাম থানার পলশন্ডা হয়ে অতি সহজেই সড়কপথে উত্তরবঙ্গে পৌঁছনো যাবে। ফলে বহরমপুর যানজটমুক্ত হবে। সেইসঙ্গে নবগ্রামে গড়ে ওঠা সেনাছাউনি থেকে সেনাবাহিনী আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজ হয়ে সহজেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের লালগোলা, ভগবানগোলা, জলঙ্গি, রানিনগরে পৌঁছতে পারবে। ফলে দেশের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত হবে।
খানসাহেবের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তদানীন্তন রাজ্য সরকার সেতুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনবার সমীক্ষাও করেছিল। কিন্তু সেতুটি তৈরি করা হয়নি। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের বিচারে কিরীটেশ্বরী ও বড়নগর দেশের সেরা পর্যটন গ্রাম নির্বাচিত হয়েছে। এরপর থেকে ওই ফুটব্রিজের দাবি জোরালো হয়েছে। কিরীটেশ্বরী মন্দির কমিটির সম্পাদক বাপি দাস বলেন, আমানিগঞ্জ-খোশবাগ ফুটব্রিজ হলে মুর্শিদাবাদ শহর থেকে খুব সহজেই এই মন্দিরে পৌঁছনো সম্ভব হবে। ফলে দেশের সেরা পর্যটনগ্রাম কিরীটেশ্বরীতে সহজেই পর্যটকরা পৌঁছতে পারবেন।



