শ্যামলেন্দু গোস্বামী, বারাসত: ১৮ কোটি টাকা দিয়ে সোদপুরে পাঁচ বিঘা জমি কেনা হয়েছিল। তখন শরিক ছিল আবুল নাসার ও কিশোর মুখোপাধ্যায় (নাম পরিবর্তিত)। কিন্তু ওই জমির মালিকানা চেয়েছিল বারাকপুরের শ্যামল পণ্ডিত (নাম পরিবর্তিত)। শ্যামলকে এই ব্যবসায় নিতে আপত্তি ছিল নিহত আবুলের। তা নিয়েই বিবাদ শুরু। এত কোটি টাকার সম্পত্তি নিজেদের নামে করতেই জমির কারবারি কিশোর ও শ্যামল পরিকল্পনা করেই আবুলকে খুন করেছে। আমডাঙার তৃণমূল নেতার রহস্যমৃত্যু নিয়ে এমনই দাবি করেছে মৃতের পরিবারের। এই দুই ব্যক্তি সহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে দীঘা থানায়। এদিকে, পুলিসের উপর ভরসা না রেখে মৃতের পরিবার এই হত্যা মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানাতে চলেছে। জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই তাঁরা এই আর্জি জানাবেন।
Advertisement
শনিবার মন্দারমণির হোটেল থেকে আমডাঙার তৃণমূল নেতা আবুল নাসারের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া পারভিন আমডাঙার আদহাটা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। ঘটনার পর থেকেই খুনের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন পরিবারের লোকজন। পুলিসের ‘আত্মহত্যার তত্ত্ব’ কোনওভাবেই মেনে নিতে চাইছেন না তাঁরা। মূলত, জমি বিবাদের জেরে আবুলকে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পরিবারের। এক্ষেত্রে সিন্ডিকেট চক্র কাজ করছে বলেও তাঁদের ধারণা।
রবিবার গভীর রাতে তৃণমূল নেতার দেহ বাড়িতে আনা হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শোকাহত স্থানীয় মানুষজন। সোমবার দুপুরে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। পরিবারের সদস্যদের কথায়, আবুলের মৃত্যুর খবর জানার পর তড়িঘড়ি আমরা ওই লজে যাই। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিস তা দেখতে দেয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে তারা এড়িয়ে গিয়েছে। হোটেল মালিকের শরীরী ভাষাও আমাদের ভাবাচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমাদের দু’-তিনটি থানায় ঘোরানো হয়েছে। তখনই আমরা বুঝে গিয়েছি যে, বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যে যুবতীকে নিয়ে এত কথা হচ্ছে, তিনি অবিবাহিতা। আবুলের ব্যবসার শরিক কিশোর মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়া। এদিন পরিকল্পনা করেই তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন আবুলকে। টোপ দিয়েই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হোটেলে। মৃতের জামাইবাবু সলমান আলি বলেন, পুলিস বলছে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আত্মহত্যা করলে যা যা চিহ্ন থাকে, তা আবুলের শরীরে ছিল না। সোদপুরের ওই জমিতে ভাগ বসাতে চেয়েছিল শ্যামল পণ্ডিত। তাতে সায় দেননি আবুল। এরপর গোপনে ওই জায়গায় কিশোর ও শ্যামল দোকানঘর বসায়। তা নিয়ে অশান্তি চরমে ওঠে। এই বিবাদের কারণেই খুন করা হয়েছে। সলমন আলি বলেন, ওর সঙ্গে এক মহিলা ছিলেন বলে রটানো হচ্ছে। সেই সময় ওই মহিলা বাথরুমে ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গলায় দড়ির ফাঁস দেওয়া সময়সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই মহিলা বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে কেন তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না? আসলে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে মৃতের শ্যালক মমতাজুল হক বলেন, পুলিসের উপর আমাদের আস্থা নেই। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানাব।
রবিবার গভীর রাতে তৃণমূল নেতার দেহ বাড়িতে আনা হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শোকাহত স্থানীয় মানুষজন। সোমবার দুপুরে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। পরিবারের সদস্যদের কথায়, আবুলের মৃত্যুর খবর জানার পর তড়িঘড়ি আমরা ওই লজে যাই। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিস তা দেখতে দেয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে তারা এড়িয়ে গিয়েছে। হোটেল মালিকের শরীরী ভাষাও আমাদের ভাবাচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমাদের দু’-তিনটি থানায় ঘোরানো হয়েছে। তখনই আমরা বুঝে গিয়েছি যে, বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যে যুবতীকে নিয়ে এত কথা হচ্ছে, তিনি অবিবাহিতা। আবুলের ব্যবসার শরিক কিশোর মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়া। এদিন পরিকল্পনা করেই তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন আবুলকে। টোপ দিয়েই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হোটেলে। মৃতের জামাইবাবু সলমান আলি বলেন, পুলিস বলছে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আত্মহত্যা করলে যা যা চিহ্ন থাকে, তা আবুলের শরীরে ছিল না। সোদপুরের ওই জমিতে ভাগ বসাতে চেয়েছিল শ্যামল পণ্ডিত। তাতে সায় দেননি আবুল। এরপর গোপনে ওই জায়গায় কিশোর ও শ্যামল দোকানঘর বসায়। তা নিয়ে অশান্তি চরমে ওঠে। এই বিবাদের কারণেই খুন করা হয়েছে। সলমন আলি বলেন, ওর সঙ্গে এক মহিলা ছিলেন বলে রটানো হচ্ছে। সেই সময় ওই মহিলা বাথরুমে ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গলায় দড়ির ফাঁস দেওয়া সময়সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই মহিলা বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে কেন তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না? আসলে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে মৃতের শ্যালক মমতাজুল হক বলেন, পুলিসের উপর আমাদের আস্থা নেই। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানাব।



