Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মাধ্যমিকে ১০ প্রতিবন্ধী ছাত্রীর প্রত্যেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তা উপেক্ষা করেই রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন মূক-বধির ও দৃষ্টিহীন বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা মাধ্যমিকে অত্যন্ত ভালো ফল করেছে।

মাধ্যমিকে ১০ প্রতিবন্ধী ছাত্রীর প্রত্যেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ
  • ১৪ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তা উপেক্ষা করেই রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন মূক-বধির ও দৃষ্টিহীন বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা মাধ্যমিকে অত্যন্ত ভালো ফল করেছে। সকলেই পাশ করেছে প্রথম বিভাগে। বারাকপুরে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের সূর্যপুর গ্ৰামে ১৯৯৩ সালে নিত্যানন্দ মহারাজ তৈরি করেছিলেন রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন মূক-বধির ও দৃষ্টিহীন বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবন্ধী মেয়েদের সমাজের মূল স্রোতে প্রতিষ্ঠিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। বর্তমানে ৫৩ জন ছাত্রী আছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের ছাত্রীরা এখানে পড়তে আসে। বালিকা বিদ্যালয়টি পশ্চিমবঙ্গ মাস এডুকেশন এক্সটেনশন ডিপার্টমেন্ট দ্বারা সাহায্যপ্রাপ্ত। প্রশিক্ষিত দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকারা পাঠ দেন ও খেলা, ব্যায়াম, হাতের কাজ, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, নাচ, গান ইত্যাদি শেখান। ২০১৮ সাল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে এখানকার ছাত্রীরা। ২০২৬ সালে ১০ জন মাধ্যমিক দেয়। সকলেই প্রথম বিভাগে পাশ করেছে। ৬১১(৮৭%) পেয়েছে সুরুচি শাহ, সে দৃষ্টিহীন। দৃষ্টিহীন কিমি মূর্মূ ৫৯১ পেয়েছে। অন্তরা মিস্ত্রি পেয়েছে ৪৭২, নিকি গুপ্তা ৪৭১, শামিমা পারভিন ৪৭০, ফারজানা খাতুন ৪৬৫, বৃষ্টি মণ্ডল ৪৫৭, রাখি হালদার ৪৫১, স্মৃতি সাঁফুই ৪৩৮, রুপালি বিশ্বাস ৪৩০ নম্বর পেয়েছে। ২০২৭ সালে ৪ মূক-বধির ও ৪ দৃষ্টিহীন ছাত্রী মাধ্যমিকে বসবে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মিতা বিশ্বাস জানান, ছাত্রীদের সামাজিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠা দেওয়ার লক্ষ্যে মিশন কাজ করছে সম্পাদক পদে থাকা স্বামী নিত্যরূপানন্দজী মহারাজের নেতৃত্বে ও তত্ত্বাবধানে। ভালো ফলাফলের জন্য খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং বারাকপুর রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন।  ফাইল চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ