নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আজ, সোমবার চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা হতে চলেছে। সে অনুষ্ঠান ঘিরে রবিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছিল ব্যস্ততা। পুজো উদ্যোক্তা থেকে প্রশাসনের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। প্রহর গুনছে দর্শকরা। শোভাযাত্রায় আলোর ঝলকানি দেখতে শহরের বাইরে থেকে এসে অনেকে চন্দননগর লাগোয়া অঞ্চলে ডেরা বেঁধেছেন। প্রস্তুত শহরের রাস্তাগুলি। সোমবার সকাল থেকে বিকেল চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরে প্রতিমা নিরঞ্জন হবে। সন্ধ্যা থেকে ভোরবেলা পর্যন্ত আলো আর থিমের মায়া ছড়িয়ে থাকবে পথেঘাটে। এই শোভাযাত্রা শহরের ঐতিহ্য, আলোকশিল্পের বিপণনের মঞ্চই শুধু নয়, শহরবাসীর কাছে বিশেষ আবেগেরও অনুষ্টান।
Advertisement
বিরাট দেবী প্রতিমাকে নিয়ে আলোকসজ্জার বাহারি রঙ ছড়িয়ে উদ্যোক্তারা ভাসান দিতে যান। একাধিক লরিতে প্রতিমা এবং নানা ধরনের আলোকসজ্জার উপকরণ সাজানো থাকে। প্রায় প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তা গড়ে চারটি করে লরি ব্যবহার করেন। সেখানে পুজোর থিমের পরে আবারও একবার আলোর থিম দেখানো হয়। রাতের শহরে দীর্ঘ পথ ধরে আলোকময় যাত্রার শোভা আক্ষরিক অর্থেই দ্রষ্টব্য। শহরের আবেগ, যা ইতিমধ্যেই বিশ্বময় চর্চা পেয়েছে তা ফুটে ওঠে। শোভাযাত্রা ঘিরে থাকে প্রতিযোগিতাও। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, এক বছরের ভাসান পর্ব মিটতেই পরবর্তী বছরের শোভাযাত্রার পরিকল্পনা শুরু হয়ে যায়। যেমন চন্দনগরের বেশোহাটা সর্বজনীনের শোভাযাত্রায় এবারের থিম, ‘সার্কাস’। প্রায় একবছর আগে থেকে ওই থিম নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। ররিবার ক্লাব প্রাঙ্গণে শেষবারের মতো থিম ঝালিয়ে নিচ্ছিলেন আলোকশিল্পীরা। আর ক্লাবের উদ্যোক্তারা রীতিমতো উৎকণ্ঠা নিয়ে সমস্ত পর্ব দেখছিলেন। আজ, সোমবার হবে সম্মানের পরীক্ষা। একই অবস্থা দেখা গিয়েছে উত্তরাঞ্চলের মণ্ডপ প্রাঙ্গনে। সেখানে ভিড় থইথই মাঠের পাশেই রাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা। ক্লাব কর্তা মোহিত নন্দী বলেন, ‘শোভাযাত্রা চন্দননগরের ঐতিহ্য, আবেগ এবং প্রতিযোগিতা। তাই ওই বিষয়ে আলাদা প্রস্তুতি রাখতেই হয়। আমরা এবার শিশুদের জগতকে থিমের আকারে ধরছি।’
শিশুদের নিয়ে থিম করছে রথের সড়ক সম্বলা-শিবতলাও। ক্লাব কর্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজনিল্যান্ডকে সামনে রেখে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। আর পুরোদস্তুর ডিজনিল্যান্ডকেই থিম করছে বাগবাজার সর্বজনীন। আবার বাগবাজার চৌমাথার আলোকসজ্জার থিম ‘পোষ্যদের বাড়ি’। অর্থাৎ যে সমস্ত পোষ্যপ্রাণিকে মানুষ চেনে তাদের জন্য তৈরি বাড়ির আদলেই আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, ‘এবার এমনিতেই রেকর্ড সংখ্যক পুজো শোভাযাত্রায় থাকবে। ফলে ট্রাকের সংখ্যাও বাড়বে। সবমিলিয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলবে। ইতিমধ্যেই বাইরে থেকে দর্শকরা আসতে শুরু করেছেন।’ নবমীর রাতেই চুঁচুড়ায় এসেছেন তুষার সরকার। উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা তুষার বহু বছর ধরে শোভাযাত্র্বা দেখতে আসছেন। তিনি বলেন, ‘দেখতেই হবে। সকাল সকাল চন্দননগরে পৌঁছে যাব।’ মানুষের এই আগ্রহের কথা জানে চন্দননগর। রবিবার রাত জাগবেন আলোকশিল্পীরা। রাত জাগবেন উদ্যোক্তারাও। আজ, সোমবার বছরভর অপেক্ষা করে থাকা শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার পালা। অধীর আগ্রহে তা শুরুর প্রহর গুনছে সবাই।
শিশুদের নিয়ে থিম করছে রথের সড়ক সম্বলা-শিবতলাও। ক্লাব কর্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজনিল্যান্ডকে সামনে রেখে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। আর পুরোদস্তুর ডিজনিল্যান্ডকেই থিম করছে বাগবাজার সর্বজনীন। আবার বাগবাজার চৌমাথার আলোকসজ্জার থিম ‘পোষ্যদের বাড়ি’। অর্থাৎ যে সমস্ত পোষ্যপ্রাণিকে মানুষ চেনে তাদের জন্য তৈরি বাড়ির আদলেই আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, ‘এবার এমনিতেই রেকর্ড সংখ্যক পুজো শোভাযাত্রায় থাকবে। ফলে ট্রাকের সংখ্যাও বাড়বে। সবমিলিয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলবে। ইতিমধ্যেই বাইরে থেকে দর্শকরা আসতে শুরু করেছেন।’ নবমীর রাতেই চুঁচুড়ায় এসেছেন তুষার সরকার। উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা তুষার বহু বছর ধরে শোভাযাত্র্বা দেখতে আসছেন। তিনি বলেন, ‘দেখতেই হবে। সকাল সকাল চন্দননগরে পৌঁছে যাব।’ মানুষের এই আগ্রহের কথা জানে চন্দননগর। রবিবার রাত জাগবেন আলোকশিল্পীরা। রাত জাগবেন উদ্যোক্তারাও। আজ, সোমবার বছরভর অপেক্ষা করে থাকা শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার পালা। অধীর আগ্রহে তা শুরুর প্রহর গুনছে সবাই।



