নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কার্তিক পুজো ঠিক কবে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। কারও মতে ১৬০০ সাল থেকেই বাঁশবেড়িয়ায় কার্তিক পুজো শুরু। আবার কারও মতে ১৭৮০ নাগাদ চুঁচুড়া ও বাঁশবেড়িয়ায় শুরু হয়েছিল। সময়কাল যাই হোক, বর্তমান সময়ে এসে বাঁশবেড়িয়াতে কার্তিক পুজো নিখাদ একটি জনপ্রিয় উৎসব। সাবেক কালের জ্যাংড়া, ধুমো, জামাই, অর্জুন কার্তিকের পুজো এখনও হয় বাঁশবেড়িয়ায়। সেই কার্তিকদের গায়ে আজ থিমের সাজ। মণ্ডপ বা আলোকসজ্জায় থিমের প্রভাব। সবমিলিয়ে নজরকাড়া হয়ে উঠেছে এখানকার কার্তিক উৎসব। এবারও তার ব্যতিক্রম নেই।
Advertisement
আজ, শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে উৎসব মরশুমের শেষ পুজো। শুক্রবার শেষ পর্যায়ের কাজ হয়েছে। চূড়ান্ত তৎপরতা দেখা গিয়েছে সর্বত্র। এদিন সন্ধ্যা থেকেই থিমের কারিকুরি দেখতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়। কোথাও রবীন্দ্রনাথকে আশ্রয় করে থিম হয়েছে। কোথাও নৌকার আদলে মণ্ডপ। আবার কোথাও বিরাট এক পেঁচা হচ্ছে থিম। চমক দেওয়ার হরেক আয়োজনে ঝলমলিয়ে উঠতে শুরু প্রাচীন বন্দরনগরী বাঁশবেড়িয়া।
বাঁশবেড়িয়ার ‘বেলতলা রেনেসাঁ’ এবার থিম করেছে, ‘তবু মনে রেখ’। রবীন্দ্রনাথের দামোদর শেঠ, আবদুল মাঝি, পোস্টমাস্টার ও রতন, বাঙালির চির চেনা চরিত্রগুলিকে সামনে রেখে মণ্ডপসজ্জা করা হয়েছে। থাকবে নোবেলের প্রতিকৃতিও। মডেল থেকে হাতে আঁকা ছবি, কাগজের শিল্পকর্ম সহ নানা সাজে রবীন্দ্র ভাবনাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে এখন। এখানে রাজা কার্তিকের পুজো হয়। রাজবেশে রাজ সিংহাসনে বসে দীর্ঘ চেহারার কার্তিক সকলের নজর কাড়েন। ক্লাবের কর্মকর্তা প্রীতম সরকার বলেন, ‘আলো থেকে মণ্ডপসজ্জা বা প্রতিমা সবই থিমের আদলে তৈরি হয়েছে।’ ‘সূর্য তরুণ সঙ্ঘ’ এবার কাঠের প্রতিমা তৈরি করে চমক দিতে চাইছে। থিমের নাম, ‘অদ্ভুতুড়ে’। হোগলা পাতা দিয়ে বিরাট আকারের পেঁচা তৈরি করা হয়েছে। তার ভিতরে রাখা প্রতিমা। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার হয়েছে কঙ্কাল, ভূতের অবয়ব সহ নানা কিছু। একটি ভৌতিক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে উদ্যোক্তারা। ক্লাব কর্তা শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, ‘একটি কাঠের গুঁড়ি খোদাই করে রাজা কার্তিকের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। সেটিই চমক।’ ‘রথতলা ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন’ করেছে জামাই কার্তিক। দেব সেনাপতিকে এখানে জামাই বেশে ফুলশয্যার খাটে বসিয়ে রাখা। বছরের পর বছর ধরে এখানে এমন সাজেই সেজে থাকেন কার্তিক। কিন্তু তা বলে থিম নেই এমন কিন্তু নয়। থিম আছে মণ্ডপসজ্জায়। এবারের থিম, স্বপ্নের তরী। মণ্ডপের সামনে রাখা বিরাট আয়তনের একটি নৌকা। ক্লাব কর্তাদের বক্তব্য, যন্ত্রের সাহায্যে নৌকাটি নড়াচড়া করবে। মণ্ডপের ভিতরের অংশে ছই বা গলুইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত জলযানের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আলোকসজ্জা হয়েছে থিমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। ক্লাব কর্তা অভিজিৎ মাইতি বলেন, ‘আমাদের জামাই কার্তিককে আসল খাটে জামাই বেশে বসানো হয়। তাঁর ফুলের সাজও আসল।’
বাঁশবেড়িয়ার ‘বেলতলা রেনেসাঁ’ এবার থিম করেছে, ‘তবু মনে রেখ’। রবীন্দ্রনাথের দামোদর শেঠ, আবদুল মাঝি, পোস্টমাস্টার ও রতন, বাঙালির চির চেনা চরিত্রগুলিকে সামনে রেখে মণ্ডপসজ্জা করা হয়েছে। থাকবে নোবেলের প্রতিকৃতিও। মডেল থেকে হাতে আঁকা ছবি, কাগজের শিল্পকর্ম সহ নানা সাজে রবীন্দ্র ভাবনাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে এখন। এখানে রাজা কার্তিকের পুজো হয়। রাজবেশে রাজ সিংহাসনে বসে দীর্ঘ চেহারার কার্তিক সকলের নজর কাড়েন। ক্লাবের কর্মকর্তা প্রীতম সরকার বলেন, ‘আলো থেকে মণ্ডপসজ্জা বা প্রতিমা সবই থিমের আদলে তৈরি হয়েছে।’ ‘সূর্য তরুণ সঙ্ঘ’ এবার কাঠের প্রতিমা তৈরি করে চমক দিতে চাইছে। থিমের নাম, ‘অদ্ভুতুড়ে’। হোগলা পাতা দিয়ে বিরাট আকারের পেঁচা তৈরি করা হয়েছে। তার ভিতরে রাখা প্রতিমা। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার হয়েছে কঙ্কাল, ভূতের অবয়ব সহ নানা কিছু। একটি ভৌতিক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে উদ্যোক্তারা। ক্লাব কর্তা শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, ‘একটি কাঠের গুঁড়ি খোদাই করে রাজা কার্তিকের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। সেটিই চমক।’ ‘রথতলা ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন’ করেছে জামাই কার্তিক। দেব সেনাপতিকে এখানে জামাই বেশে ফুলশয্যার খাটে বসিয়ে রাখা। বছরের পর বছর ধরে এখানে এমন সাজেই সেজে থাকেন কার্তিক। কিন্তু তা বলে থিম নেই এমন কিন্তু নয়। থিম আছে মণ্ডপসজ্জায়। এবারের থিম, স্বপ্নের তরী। মণ্ডপের সামনে রাখা বিরাট আয়তনের একটি নৌকা। ক্লাব কর্তাদের বক্তব্য, যন্ত্রের সাহায্যে নৌকাটি নড়াচড়া করবে। মণ্ডপের ভিতরের অংশে ছই বা গলুইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত জলযানের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আলোকসজ্জা হয়েছে থিমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। ক্লাব কর্তা অভিজিৎ মাইতি বলেন, ‘আমাদের জামাই কার্তিককে আসল খাটে জামাই বেশে বসানো হয়। তাঁর ফুলের সাজও আসল।’



